“Bicycle Thieves” Movie Review

Movie_Name: Bicycle Thieves (1948)

Industry: Italian

Genre: Drama

Director: Vottorio De Sica

IMDB_Rating: 8.3/10 (140K Votes)

Tomatometer: 98% (68 Counts)

Runtime: 1h 29min

Personal_Rating: 9/10

98% Google users like this

Spoiler_Alert

১৯৫২ সালে অনুষ্ঠিত ক্রিটিকদের একটি পোলে এই মুভিটি ১ম স্থান লাভ করে। শিক্ষণীয় বা মোটিভেশনাল ক্যাটাগরির লিস্টে আমি অবশ্যই মুভিটিকে অন্যতম অবস্থানে রাখব।

মুভির কাহিনী ঠিক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের। ইতালির প্রেক্ষাপটে যে সময়টা সমাজের প্রতিটা নিম্ন শ্রেণির মানুষের জীবনে নেমে এসেছিল দুর্দশা। খাদ্যাভাব, নেই কোনো জীবিকা নির্বাহের উপায়, দিন এনে দিন খেয়ে বহু কষ্টে জীবন-যাপন করতে হয় সেসব মানুষদের। চাকরি যেন মানুষের কাছে হয়ে গেছে আকাশের চাঁদ।

মুভিটিতে নিম্ন শ্রেণির সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে দেখানো হয়েছে একটি পরিবারকে, যে পরিবারের কর্তার নাম এ্যান্টনিও রিকি। স্ত্রী ও এক ছোট ছেলেকে নিয়েই তার পরিবার। চাকরির বাজারে যখন মঙ্গা চলছে, তখন এ্যান্টনিও পোস্টার লাগানোর এক চাকরি পায় এই শর্তে যে তার একটি সাইকেল থাকা লাগবে। সে জীবিকার তাগিদে জীবনের কিছু শেষ সম্বল বিক্রি করে একটি সাইকেল কেনে ও কাজে যোগ দেয়। কিন্তু হঠাৎ করেই তার বহু কষ্টে কেনা সেই সাইকেলটি চুরি হয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত তাকে তার ছোট ছেলের সঙ্গে নামতে হয় সাইকেল অনুসন্ধান অভিযানে। পথিমধ্যে তারা এমন অনেককেই সন্দেহ করে, যারা আসলে দোষী নাকি নির্দোষ তা গল্পের মধ্যে ঠিকভাবে বোঝা যায় না। কিন্তু তারা কেউই চাপে পড়েও দোষ স্বীকার করে না। সেই অনুসন্ধানে তাদের বিভিন্ন ধরণের মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত হয়, যাদের অনেকেই তাদেরকে অবহেলার দৃষ্টিতে দেখেছে, বা তাদের উপর জিদ খাটিয়েছে। চুরি হওয়া সাইকেল খুঁজতে যেয়ে অনেক বহু বিব্রতকর পরিস্থিতিতেও পরতে হয় তাদের। কিন্তু সাইকেল আর তাদের পাওয়া ওঠে না। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে যখন সে নিজেই আরেকজনের সাইকেল চুরি করতে যায়, তখন তার মালিকের মহানুভবতা দেখে সে নিজেই বেশ অবাক হয়ে যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের পরিস্থিতির সুন্দর দৃশ্যায়নের পাশাপাশি মুভিটিতে মানুষের জীবনের বাস্তবতার একাধিক দিক প্রদর্শন করা হয়েছে বাস্তবধর্মী ঘটনার মাধ্যমে। আমাদের জীবনে আমরা সেসব জিনিসের দিকেই বেশি দৃষ্টিপাত করি, যেগুলোর আমাদের বাস্তবিক প্রয়োজনই নেই। অথচ যে জিনিসগুলোর প্রকৃতই প্রয়োজন, সেগুলো অনেক সময়ই অর্থের বিনিময়ে পাওয়া সম্ভব না। আর আমরা যখন সামাজিক কারণে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরি, তখন আমাদের আশেপাশের সব মানুষকেই বিশ্বাসঘাতক বলে মনে হয়। কিন্তু সেই মানুষদের মধ্যেও যে অনেকেই আসলে আমাদের ক্ষতি করতে চায় না, আবার কিছু সংখ্যক মানুষ সাহায্যের হাতও বাড়িয়ে দিতে চায়, তা আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে না। সত্যি বলতে এটি জীবনের গভীর বাস্তবতাকে অতি খুবই সুন্দরভাবে তুলে ধরা একটি অসাধারণ ও অনবদ্য কাহিনী।

Happy_Watching

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started