Every_Medical_Student_and_Doctor_Must_Watch_This
Movie_Name: Anand (1971)
Language: Hindi
Director: Hrishikesh Mukherjee
IMDB_Rating: 8.6/10 (27K Votes)
Rotten_Tomatoes: 96% (Audience Score)
Runtime: 2h 2min
Personal_Rating: 9/10
হালকা_স্পয়লার
“Before passing medical degree, I used to think doctors save lives. But now I realize, they actually save deaths.”
এক অত্যন্ত প্রতিভাবান এবং সৎ চিকিৎসক ড. ভাস্কর ব্যানার্জি (ক্যান্সার স্পেশালিস্ট)। মেডিক্যাল পড়ার আগে তার ডাক্তারি পেশা সম্পর্কে যে ধারণা ছিল, ডাক্তার হওয়ার পর সে ধারণা অনেকটাই বদলে যায়। সমাজের একেবারে নিচু স্তরের মানুষগুলোকে যখন সে দেখতে শুরু করে, যাদের ওষুধ কেনার তো দূরের কথা, খাবার কেনারই টাকা নেই, তখন সে নিজেকে সমাজের কাছে অপদার্থ মনে করতে থাকে। কারণ সে রোগীকে রোগ সাড়ানোর জন্য ওষুধ ঠিকই দিতে পারছে, কিন্তু সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর করার কোনো ওষুধই তার জানা নেই। বস্তিতে কোনো শিশু জন্ম নিলেই তার মনে হত যেন একজন মরতে না মরতেই আরেকজন মরার জন্য পৃথিবীতে হাজির হয়েছে। এগুলো নিয়ে চিন্তা করতে করতেই তার দিন কাটতে থাকে, যতক্ষন পর্যন্ত না তার জীবন এক নতুন মোড় নেয়।
ড. ভাস্করের জীবনের সেই নতুন মোড়টির নাম ছিল আনন্দ। নাম যেমন, কাজও ঠিক তেমনই। কথা বলতে ভালোবাসে, সবসময় মুখে হাসি লেগে আছে, অন্যকে হাসাতেও সে খুব পছন্দ করে। অথচ সে ফাইনাল স্টেজের ক্যান্সার পেশেন্ট। বড়জোড় হলে তার আয়ু আছে আর ছয় মাস। যেখানে ছয় মাস পরেই যে তার জীবনের কাটা থেমে যাবে, সেখানে ব্যাপারটা নিয়ে তার কোনো ভ্রুক্ষেপই নেই। যেন মৃত্যু তার কাছে কোনো চিন্তার বিষয়ই না। সে চায় জীবনের শেষ কয়েকটা দিন হাসি-আনন্দে আশেপাশের মানুষগুলোর সঙ্গে কাটাতে, তাদের মুখে হাসি ফোটাতে, তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে। মানুষের জীবনের গভীর বাস্তবতা ও উপলব্ধির বিষয়বস্তু ফুটে উঠেছে আনন্দ চরিত্রটির মাধ্যমে। আর ড. ভাস্কর চরিত্রটি যেন চিকিৎসক-সমাজের মানুষের জীবনের গভীরে লুকিয়ে থাকা অব্যক্ত কথাগুলিকে টেনে বের করে এনেছে। আবার অন্যদিকে ডাক্তারদের ব্যবসায়ী মনোভাবের নেতিবাচক দিকগুলোর বাস্তবতাকেও তুলে ধরা হয় পার্শ্ব-চরিত্রের মাধ্যমে।
মুভির শুরুতে আনন্দ ড. ভাস্করকে বলে, “বাবুমশাই, তুমি যদি ১০০ বছর বাঁচ, তাহলে তোমার হাতে সময় আছে আর ৭০ বছর। কোনো অসুখ নেই, বিসুখ নেই, তবুও প্রকৃতির নিয়ম। ৭০ বছর আর ৬ মাস, পার্থক্যটা আসলে কোথায়? জীবনকে লম্বা নয়, বড় হওয়া উচিৎ।“ আনন্দের জীবনে শেষ পর্যন্ত কী ঘটল আর তা ড. ভাস্করের জীবনেই বা কী প্রভাব ফেলল? জানতে হলে দেখেই ফেলুন মুভিটি।
Happy_Watching
