Movie_Name: Blade Runner (1982)
Genre: Action, Sci-Fi, Thriller
Director: Ridley Scott
IMDB_Rating: 8.1/10 (675K Votes
Tomatometer: 90% (117 Counts)
Metascore: 84/100 (14 Critic Reviews)
Runtime: 1h 57min
Personal_Rating: 9/10
85% Google Users Like This
হালকা_স্পয়লার
ছোটবেলা সাই-ফাই মুভি একেবারে কম দেখা হয় নি। এর মধ্যে অনেক মুভিতেই এমন এক ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে দেখিয়েছে যেখানে মানুষ যাত্রী চলাচলের জন্য আকাশপথের যানবাহন আবিষ্কার করেছে। মানুষ আর রাস্তা ব্যবহার করে না, আকাশই তাদের রাস্তা যেখানে চলছে উড়ন্ত গাড়ি। যদিও আমাদের বর্তমান পৃথিবীতে এখনো সেই আবিষ্কার প্রচলিত হয় নি, তবে ১৯৮২ সালের কোনো মুভিতে এমন দৃশ্য দেখব, তাও কখনো ভাবি নি। মুভিটি ২০০৪ সালে ব্রিটিশ পত্রিকা The Guardian কর্তৃক ৫৬ জন বিজ্ঞানীদের এক প্যানেলের ভোটে সেরা সাই-ফাই মুভি হিসেবে নির্বাচিত হয়। ২০০৮ সালে ব্রিটিশ ম্যাগাজিন New Scientist কর্তৃক অনুষ্ঠিত কয়েক হাজার পাঠকের এক ভোটে ১২% ভোট পেয়ে মুভিটি সর্বকালের প্রিয় সাই-ফাই মুভি নির্বাচিত হয়। এছাড়াও ২০১১ সালে Total Film ম্যাগাজিনের একটি পোলেও এটি শীর্ষ অবস্থান পায়।
মুভিটিতে এক অতি উন্নত জগত জগৎ দেখানো হয়েছে, যেখানে মানুষ উন্নত বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃত্রিম মানুষ তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করে। এসব কৃত্রিম মানুষদের বলা হয় “রেপ্লিক্যান্ট”। টাইরেল কর্পোরেশন নামের এক প্রতিষ্ঠান তাদের ডিজাইন করে মূলত আউটার স্পেসে কর্মী হিসেবে কাজ করানোর জন্য। কিন্তু রয় ব্যাটি নামের এক রেপ্লিক্যান্টের নেতৃত্বে শেষ পর্যন্ত উন্নত রেপ্লিক্যান্টদের একটি গ্রুপ পৃথিবীতে পালিয়ে আসে। প্রাক্তন পুলিশ অফিসার রিক ডাকার্ডের ঘাড়ে দায়িত্ব পরে সেইসব রেপ্লিক্যান্টদের খুজে বের করার। এভাবেই মুভিটির কাহিনীর সূত্রপাত হয়। মুভিতে রেপ্লিক্যান্টদের শনাক্ত করার এই গ্রুপটিকে বলা হয় “ব্লেড রানার”।
মুভির কাহিনীতে রেপ্লিক্যান্টদের মূলত কাহিনীর ভিলেন চরিত্র হিসেবে দেখানো হলেও মুভিটি দেখার সময় দর্শকদের মনে তাদের প্রতি কিছুক্ষণের জন্য হলেও একটি আলাদা মায়ার অনুভূতি জন্ম নিতে বাধ্য। আর এত উন্নত পৃথিবীর কাহিনী ৮০-র দশকের মত সময়ে যথেষ্ট দুষ্প্রাপ্য ছিল, যার কাহিনী অনেক রিসেন্ট সাই-ফাই মুভিকেও হার মানায়। আর রিক ডাকার্ডের চরিত্রে হ্যারিসন ফোর্ডের অভিনয়ও ছিল দেখার মত। এক কথায় অসাধারণ একটি মুভি।
Happy_Watching
