“Casablanca” Movie Review

Movie_Name: Casablanca (1942)

Genre: Drama, Romance, War

Director: Michael Curtiz

IMDB_Rating: 8.5/10 (507K Votes)

Tomatometer: 99% (90 Counts)

Metascore: 100 (18 Critic Reviews)

Runtime: 1h 42min

Personal_Rating: 9/10

Spoiler_Alert

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এর আগে অনেক মুভিই দেখেছি। কিন্তু এই মুভিটার আমার কাছে একটা আলাদা ধরণের তাৎপর্য রয়েছে, কেননা এর কাহিনী বাকি মুভিগুলোর চেয়ে অনেকটাই আলাদা, সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাস্তবধর্মী কাহিনী নিয়ে।

জার্মান নাৎসি বাহিনী যখন পুরো ইউরোপ দখল করে নিতে থাকে, তখন সমগ্র ইউরোপ থেকে বহু মানুষ ছুটে আসে মধ্যপ্রাচ্যের কাছাকাছি দেশগুলোয়, যাদের মধ্যে বৃহৎ অংশ ছিল ইহুদি। মরক্কোর কাসাব্লাংকাতে ছিল এসব ইউরোপিয়ান রিফিউজিদের থাকার জন্য অনেক বড় একটি ক্যাম্প। কাহিনীটি মূলত সেই ক্যাম্পকে ঘিরেই।

কাহিনীর মূল নায়ক রিক ব্লেইন একজন আমেরিকান প্রবাসী, যে কাসাব্লাংকায় “Rick’s Café Américain” নামে এক কফি শপ চালাত। সেখানে হঠাৎই দুজন জার্মান অফিসিয়াল খুন হন এবং উগার্তে নামের একজন ব্যক্তি কোনো কারণ না দেখিয়েই দুটি চিঠি রিকের কাছে রাখতে দেয়, যেটা আসলে ছিল ইউরোপের “letters of transit”। পুলিশ সেই হত্যাকাণ্ডের মূল হোঁতা খুজতে থাকে, ততক্ষনে উগার্তে গ্রেফতার হয়ে পুলিশের কাস্টোডিতেই মারা যায়। পুলিশ ধারণা করে ঐ লেটার দুটির জন্যই মূলত হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে।

কাহিনীর মাঝখানে অবতারণা ঘটে ইউরোপে Czech Resistance-এর লিডার ভিক্টর লাজলোর, যাকে পুলিশ অনেক দিন ধরে খুজে বেড়াচ্ছে। লাজলোর স্ত্রী ইলসার আবার লাজলোর সঙ্গে বিয়ের আগে রিকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। লাজলোর তার স্ত্রীসহ ইউরোপে পালিয়ে যাওয়ার জন্য লেটার দুটির খুবই প্রয়োজন ছিল। ধীরে ধীরে অবতারণা ঘটে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্রিমিনাল ফেরারির, পরবর্তীতে লাজলোর সঙ্গে রিকের সেই চিঠি নিয়ে কথাবার্তা হয়, ইলসা আর রিকের পুরনো ভালোবাসার স্মৃতি রোমন্থন করে তারা, পুলিশো লাজলোর পেছনে ছুটতে থাকে- এভাবেই কাহিনী অগ্রসর হতে থাকে।

পরবর্তীতে লাজলো গ্রেফতার হবার পর রিক পুলিশ অফিসার লুইস রেনোকে লোভ দেখায় ও ঐ লেটারের মাধ্যমে লাজলো আর ইলসাকে প্লেনে করে পর্তুগালের লিসবনে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। পুলিশ অফিসার স্ট্রেসার বাধা দিতে গেলে রিক তাকে গুলি করতে বাধ্য হয়। ইলসা যেতে আপত্তি করলে রিক তার বিখ্যাত সেই উক্তিটি করে, “Maybe not today, maybe not tomorrow but soon and for the rest of your life.” পুলিশ স্ট্রেসার হত্যার সাসপেক্ট খুঁজতে থাকলে রেনো রিককে যুদ্ধ শেষে স্বাধীন ফ্রান্সের ব্রাজাভিলে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। কুয়াশার মধ্যে তারা হাঁটতে থাকলে রিক বলে, “Louis, I think this is the beginning of a beautiful friendship”.

এক কথায় একে যেমন অসাধারণ কাহিনী, একই সাথে রোমান্টিক আবহের প্রবর্তনায় যেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বাস্তব ঘটনাই ফুটে উঠেছে। অসাধারণ নাটকীয়তার অনবদ্য একটি মুভি।

Happy_Watching

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started