Movie_Name: Mad Max 2 (1981) [Also known as “Mad Max : The Road Warrior”]
Genre: Action, Adventure, Sci-Fi, Thriller
Director: George Miller
IMDB_Rating: 7.6/10 (162K Votes)
Tomatometer: 93& (45 Counts)
Metascore: 77/100 (15 Critic Reviews)
Runtime: 1h 36min
Personal_Rating: 8/10
90% Google users liked this
No_Spoiler
প্রখ্যাত মুভি ডিরেক্টর জর্জ মিলারের ক্যারিয়ারের এক অন্যতম সাফল্য ছিল “Mad Max” Film Series-টি। অরিজিনাল সিরিজটির মধ্যে ছিল ১৯৭৯ সালে রিলিজ হওয়া “Mad Max”, ১৯৮১ সালে রিলিজ হওয়া “Mad Max 2” এবং ১৯৮৫ সালে রিলিজ হওয়া “Mad Max Beyond Thunderdome”. এই পুরাতন সিরিজটির তিন মুভিতেই ম্যাক্স-এর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মেল গিবসন।
তবে জর্জ মিলার ২০১৫ সালে যখন আসল “Mad Max” সিরিজের রিবুট “Mad Max : Fury Road” মুভিটি নির্মাণ করেন, যেখানে ম্যাক্স চরিত্রে অভিনয় করেন বিখ্যাত অভিনেতা টম হার্ডি, তখন তা আগের অরিজিনাল সিরিজিকে ছাপিয়ে রীতিমতো বিখ্যাত হয়ে ওঠে। তবে অরিজিনাল সিরিজ নির্মাণের সময় প্রথম পার্ট অর্থাৎ “Mad Max(1979)”-টি বক্স অফিস কাঁপিয়ে দেয়। কিন্তু দ্বিতীয় পার্ট অর্থাৎ “Mad Max 2(1981)” বক্স অফিসে ততটা লাভ করতে না পারলেও এটি অনেক দর্শকদের কাছেই বেশি প্রিয় হয়ে ওঠে। এছাড়াও “Mad Max 2” ২০১৫ সালে আমেরিকান ম্যাগাজিন Rolling Stone কর্তৃক অনুষ্ঠিত পাঠকদের এক ভোটে সর্বকালের সেরা মুভি হিসেবে নির্বাচিত হয়।
মুভির কাহিনীর প্রেক্ষাপট আর আলাদা কিছু না। “Mad Max : Fury Road” মুভিটি হয়তোবা অনেকেই দেখেছেন। পুরো “Mad Max” মুভি সিরিজের প্রেক্ষাপট একই ধরণের। তবে এই মুভির কাহিনীতে মূলত পোস্ট-এ্যাপোক্যালিপ্টিক সমসময়ে অস্ট্রেলিয়ান ওয়েস্টল্যান্ডে এক ধনী গ্যাসোলিন-রিচ কম্যুনিটিকে কিছু স্থানীয় ডাকাতদলের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যেতে সাহায্য করতে রাজি হয় এক ড্রিফটার। এই ড্রিফটার আর কেউ নয়, স্বয়ং ম্যাক্স। মুভির দৃশ্যাবলি ও ঘটনাপ্রবাহের কথা চিন্তা করলে “Fury Road”-এরই প্রতিফলন পাওয়া যাবে মুভিটিতে।
বর্তমান সময়ের দর্শকদের কাছে মুভিটি কেমন লাগবে ঠিক বলা যায় না, তবে এখনও অনেক মানুষই আছেন যারা যেকোনো জিনিসের একদম অরিজিন বা রুটে যেতে পছন্দ করেন। কাজেই “Fury Road” দেখা সত্ত্বেও কিছু কিছু মানুষ অবশ্যই রয়েছেন, যারা মুভি সিরিজটার সূত্রপাত যেখান থেকে হয়েছে অর্থাৎ সেই পুরাতন অরিজিনাল সিরিজটির প্রতিও আগ্রহ দেখান। আর সেসব মানুষদের কাছে আজও সমাদৃত হয়ে আসছে সেই পুরনো মুভি সিরিজটি, বিশেষ করে এই দ্বিতীয় পার্ট অর্থাৎ “Mad Max 2” তাদের অনেকের কাছেই আলাদা অর্থ বহন করে আসছে। আর মুভিটি যতই পুরাতন হোক, সামগ্রিক দিক থেকে চিন্তা করলে, কন্সেপ্ট, প্লট, স্টোরিটেলিং থেকে শুরু করে সব দিক থেকেই মুভিটি সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে বেশ উন্নত মানের।
Happy_Watching
