“Seven Samurai” Movie Review

Movie_Name: Seven Samurai (1954)

Industry: Japanese

Genre: Action, Adventure, Drama

Director: Akira Kurosawa

IMDB_Rating: 8.6/10 (306K Votes)

Tomatometer: 100% (62 Counts)

Metascore: 98 (6 Critic Movies)

Runtime: 3h 27min

Personal_Rating: 10/10

92% Google Users Like This

Spoiler_Alert

এটি শুধুই আমার দেখা সেরা জাপানিজ মুভিই না, একই সাথে আমার জীবনের সবচেয়ে ভালোলাগা মুভিগুলোর মধ্যেও এটি অন্যতম। মুভিটি যেন তৎকালীন সময়ের গ্রামীণ খেটে খাওয়া মানুষদের জীবনযাত্রার বাস্তব প্রতিবিম্বকেই তুলে ধরেছে। মুভিটি ২০১৮ সালে BBC কর্তৃক অনুষ্ঠিত বিশ্বের ৪৩ দেশ থেকে ২০৯ ক্রিটিকদের এক পোলের সেরা ফরেইন-ল্যাংগুয়েজ ফিল্ম (নন-ইংলিশ) হিসেবে নির্বাচিত হয়।

মুভির কাহিনীর মূলত এক পাহাড়ী গ্রামকে নিয়ে, যে গ্রামে বহুকাল ধরে দস্যুরা তাদের ফসল ডাকাতি করে আসছে। এক গ্রামবাসী দস্যুদের গ্রামে আবার হামলা করার পরিকল্পনার কথা জেনে যায়। গ্রামবাসীরা সবাই আলোচনা করতে বসে কীভাবে দস্যুদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা যায়। কারণ দস্যুরা তাদের কষ্টের চাষ করা ফসল চুরি করে নিয়ে যায়, শেষ পর্যন্ত অনাহারে থাকা ছাড়া গ্রামবাসীদের আর কোনো উপায়ই থাকে না। গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য গিসাকুর কাছে গ্রামবাসীরা সবাই পরামর্শ চায়। গিসাকু তাদের কিছু সামুরাই(জাপানি যোদ্ধা) ভাড়া করার উপদেশ দেয়। কিন্তু সামুরাই ভাড়া করার মত অর্থ গ্রামবাসীদের ছিল না। গিসাকু তাদের ক্ষুধার্ত সামুরাইয়ের খোজ করতে বলে।

এরপরেই আসে মধ্যবয়ষ্ক ও অভিজ্ঞ এক সামুরাই কামবেইয়ের কাহিনী, যে এক তরুণকে চোরের জিম্মি থেকে উদ্ধার করছিল। ছেলেটিকে বাঁচানো দেখে কাতশুশিরো নামের এক অল্পবয়সী সামুরাই তার শিষ্য হতে চায়। গ্রামবাসীরা সাহায্যের প্রস্তাব দিলে তৎক্ষণাৎ কামবেই তাতে হ্যাঁ বলে দেয়। সে সেই কাজে তার অনেক পুরনো বন্ধু শিচিরোজি ও সঙ্গে আরো তিন সামুরাই– গোরোবেই, হেইহাচি ও কিউজোকে নিযুক্ত করে। সময়ের অভাব হওয়ায় কাতশুশিরোকেও সেই দলে নিয়ে নেয়া হয়। গ্রামের দিকে যাত্রাপথে কিকুচিয়ো নামের এক অপ্রত্যাশিত লোক তাদের দলে যোগ দেয়, যে নিজেকে সামুরাই বলে দাবি করে। এই সাতজনকে নিয়েই অগ্রসর হতে থাকে মুভিটির কাহিনী।

পাহাড়ি সেই গ্রামটিতে তাদের অনুপ্রবেশের ঘটনাটি ছিল মুভিটির সবচেয়ে হাস্যকর ঘটনাগুলোর একটা। এরপর অনেক ঘটনার মধ্য দিয়ে মুভির কাহিনী এগোতে থাকে। তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনাগুলো ঘটতে থাকে দস্যুদের সাথে তাদের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর৷ ঘটতে থাকে রক্তপাত, গ্রামবাসী ও দস্যুদল- উভয়পক্ষেই অনেক মানুষ মারা যেতে থাকে। প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা ধরে চলতে থাকা কাহিনী লিখে সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করা অনেকটাই দুঃসাধ্য। মুভিটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি ছিল গ্রামবাসীদের দস্যুদের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন ও তার পরবর্তী ঘটনাটি।

মুভিটির রানটাইম বেশি হওয়ায় ভেবেছিলাম এক বসাতে দেখা হবে না বোধহয়। কিন্তু মুভিটি দেখার সময় সেটার অনন্যসাধারণ ও মনমুগ্ধকর বাস্তবধর্মী কাহিনীর যেন ভেতরে ঢুকে গিয়েছিলাম আমি, কীভাবে যে সাড়ে তিন ঘন্টা কেটে গেল- টেরও পাই নি। মুভির চরিত্রগুলি যেন তৎকালীন জাপানের সাধারণ গ্রামবাসীদেরই প্রতিনিধিত্ব করছে। আর প্রত্যেক অভিনেতা/অভিনেত্রির অভিনয়ও ছিল অসাধারণ, যেন তারা চরিত্রের একদম ভেতরে ঢুকে গিয়েছিলেন।

💯পুরোই একশতে একশ💯

Happy_Watching

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started