Movie_Name: Serenity (2005)
Genre: Action, Adventure, Sci-Fi, Thriller
Director: Joss Whedin
IMDB_Rating: 7.8/10 (279K Votes)
Tomatometer: 83% (187 counts)
Metascore: 74/100 (34 Critic Reviews)
Runtime: 1h 59min
Personal_Rating: 8/10
Box_Office: $40.4 Million
80% Google users like this.
Spoiler_Alert
সাইন্স-ফিকশন জগতের এক অন্যতম মুভি এই Serenity. SFX magazine কর্তৃক অনুষ্ঠিত ৩০০০ লোকের এক ভোটে এই মুভিটি সেরা সাই-ফাই নির্বাচিত হয়। অন্যতম সেরা সাই-ফাই সিরিজ “Firefly”-এর কাহিনীরই একটি অংশ এই মুভিটি। “Firefly” এর অভিনেতা/অভিনেত্রিরাই এই মুভির কাস্টিং করেন এবং সিরিজটির ১১তম এপিসোডটিরও একই নাম।
মুভির প্রেক্ষাপট ২৫১৭ সালের। পৃথিবীর মানুষ বসবাসের জন্য এক নতুন সৌরজগৎ তৈরি করেছে। কেন্দ্রীয় গ্রহগুলো এ্যালায়ান্স নামে একটি কর্পোরেট সুপারগভার্নমেন্ট প্রতিষ্ঠা করে ও বাইরের গ্রহগুলোর সাথে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করে, যারা এ্যালায়ান্স বিরোধী ছিল।
মুভির কাহিনী মূলত Serenity নামের এক স্পেসশিপকে নিয়ে আর এই স্পেশশিপের ক্রুদের অভিযানকে ঘিরেই মুভির কাহিনীর সকল ঘটনা আবর্তিত হয়।
মুভির শুরুর দিকে রিভার নামের এক মেয়ের উপর এক্সপেরিমেন্ট চালানো হয় তাকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য। তার বড় ভাই যদিও তাকে উদ্ধার করে, তবুও এক্সপেরিমেন্টটি ইতোমধ্যে সফল হয়ে যাওয়ায় রিভার বিশেষ ক্ষমতা অর্জন করে। এরপর তারা সেরেনিটি স্পেশশিপটিতে রিফিউজি হিসেবে আশ্রয় নেয়, যার ক্যাপ্টেন ছিলেন ম্যালকম রেনল্ডস।
এরপর একে একে ঘটতে থাকে একে একে সব দুঃসাহসিক ঘটনা৷ এ্যালায়ান্সের মানবজাতির ভবিষ্যত নিয়ে পরিকল্পনা বরঞ্চ হয়ে ওঠে মানববিধ্বংসী। আর যাত্রাপথে সেরেনিটি জাহাজের ক্রুদের সঙ্গে রীভার নামের হিংস্র গোষ্ঠীর সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ আর এ্যালায়েন্সের এক এজেন্টের সঙ্গে তাদের লুকোচুরি খেলার মাধ্যমে কাহিনী এগিয়ে যেতে থাকে। এ্যালায়েন্সের মানবজাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে করা এক যুগান্তকারী পরীক্ষা একে তো ব্যর্থ হয়ই, একই সাথে তা সাধারণ মানুষদের ভবিষ্যতের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। সেরেনিটির ক্রুরা এ্যালায়েন্সের সেই গুপ্ত তথ্য জেনে যায়, যা তারা এতদিন গোপন করে রেখেছিল। তাহলে শেষ পর্যন্ত সেরেনিটি নামের সেই স্পেশশিপ ও তার ক্রুদের সঙ্গে কী ঘটল?? জানতে হলে দেখে ফেলুন।
Happy_Watching
