Movie_Name: The Piano (1993)
Genre: Drama, Music, Romance
Director: Jane Campion
IMDB_Rating: 7.6/10 (77K Vote)
Tomatometer: 92% (61 Counts)
Metascore: 89/100 (20 Critic Reviews)
Runtime: 2h 1min
Personal_Rating: 8/10
Box_Office: $140 Million
83% Google users liked this
Spoiler_Alert
২০১৯ সালে BBC কর্তৃক ৮৪ দেশ থেকে ৩৬৮ ফিল্ম বিশেষজ্ঞদের এক পোলে মহিলা ডিরেক্টর নির্মিত সেরা ফিল্ম হিসেবে নির্বাচিত হয় এই মুভিটি। মুভিটি ১৯৯৪ সালের Cannes Film Festival-এ সেরা মুভি নির্বাচিত হয়। এছাড়াও মুভিটি ১৯৯৪ সালের এ্যাকাডেমি এ্যাওয়ার্ডস-এ তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায়।
মুভিটি মূলত ফোকাস করে মানুষের গহীনে লুকিয়ে থাকা থাকা আবেগকে নিয়ে, যা মানুষের চরিত্রের অতি সাধারণ একটি প্রবৃত্তি৷ সভ্যতা যতই উন্নত হোক বা তার যতই পরিবর্তন আসুক, মানুষ কখনো তার আবেগকে অস্বীকার করতে পারে না।
অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে নিউজিল্যান্ডের এক সৈকতে আগমন ঘটে এ্যাডা নামের এক বোবা স্কটিশ মহিলার, যাকে তার বাবা স্টুয়ার্ট নামের এক ব্রিটিশ প্রবাসীর কাছে। সে সঙ্গে আনে সামান্য কিছু জিনিসপত্র, তার আট বছরের জারজ মেয়ে ফ্লোরা ও একটি পিয়ানো। কিন্তু স্টুয়ার্ট সেই পিয়ানোটিকে ভারী বলে এ্যাডার অনুরোধ সত্ত্বেও বাসায় আনতে বাধা দেয়। ফলে স্টুয়ার্ট সেটিকে বিক্রি করে দেয় তার প্রতিবেশী ইংরেজ বেইন্সের কাছে। আবার পিয়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বেইন্স অনিচ্ছুক এ্যাডাকে তার পিয়ানো শিক্ষক হিসেবে দাবি করে। ধীরে ধীরে তা রূপ নেয় এক অনিশ্চিত সম্পর্কের দিকে। বেইন্স এ্যাডাকে তার পিয়ানো ফিরিয়ে দিতে চায়, কিন্তু তার বিনিময়ে সে এ্যাডার কাছে যে জিনিসটি চায়, তা দিতে এ্যাডা সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত ছিল।
জেন ক্যাম্পিয়নের গল্প দর্শকদের মনে নাড়া জাগাতে বাধ্য, যা মাঝে মাঝে দর্শকদের স্বাভাবিক চিন্তাকেও ঘুরিয়ে দেয়। মুভির একক অভ্যন্তরীণ দৃশ্যগুলো যেন কাহিনীকে আরো আবহময় করে তুলেছে। আবেগ ও অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ বাদেও কাহিনী শুধু সেই পিয়ানোকে ঘিরেই আবদ্ধ থাকে নি, তা দেখিয়েছে মানুষের জীবনের একাধিক বাস্তবতাকে। মুভির মূল তিন অভিনয়শিল্পীরও অভিনয় ছিল অসাধারণ, যেন তারা চরিত্রের মধ্যে সম্পূর্ণ ঢুকে গেছেন। আর সমাজের বিপর্যস্ত মানুষগুলোর মনের মধ্যে যে আকাঙ্ক্ষা খেলা করে, তাই হয়ে উঠেছে গল্পের মূল প্রতিপাদ্য। শেষ পর্যন্ত এ্যাডা ও বেইন্সের জীবনে কী ঘটল? জানতে হলে দেখে ফেলুন মুভিটি।
Happy_Watching
