“The Wolf of Wall Street” Movie Review

Movie_Name: The Wolf of Wall Street(2013)

Genre: Biography, Crime, Drama

IMDB_Rating: 8.2/10

Rotten_Tomatoes: 82%(Audience Score)

Metascore: 75/100

Personal_Rating: 9/10

হালকা_স্পয়লার

“অর্থই সকল অনর্থের মূল” বা “অতি লোভে তাঁতি নষ্ট” নীতিকথার মুভিগুলোর মধ্যে এই মুভিটার অবস্থান অবশ্যই অসামান্য। বিজনেস নিয়ে কোনো মুভির কথা উঠলেই যেসব মুভির কথা সবার আগে আসে, সেসব মুভিগুলোর মধ্যে এটি একটি অন্যতম মুভি। সবার হয়তোবা মুভিটা ভালো নাও লাগতে পারে, তবে বিজনেস মাইন্ডেডদের জন্য এটা অবশ্যই সেরা সাজেশন। মুভিটা সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত। এটি জর্ডান বেলফোর্ট নামক এক ওয়াল স্ট্রিট ব্যবসায়ী ও স্টকব্রোকার এর জীবনকাহিনী। মুভিটি জর্ডান বেলফোর্টেরই লেখা ২০০৯ সালে প্রকাশিত একই টাইটেলের বইয়ের কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। মুভির কাহিনী এক কথায় অসাধারণ, তার চেয়ে বড় কথা সম্পূর্ণ বাস্তব। লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিওর অভিনয়ে জর্ডান বেলফোর্ট চরিত্রটি বেশ ভালোভাবে ফুটে উঠেছে। এছাড়াও অভিনয়ে রয়েছেন জোনাহ হিল, মার্গোট রবি- সহ অনেক খ্যাতনামা অভিনেতা/অভিনেত্রী। ১৯৮৭ সাল পরবর্তী সময়ে জর্ডান বেলফোর্টের প্রতিষ্ঠিত Stratton Oakmont বিজনেস ফার্ম এবং এই প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ঘটা সকল অনৈতিক, লোক ঠকানো, দূর্নীতিবাজ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়েই এই মুভির কাহিনী অগ্রসর হয়েছে। মুভির প্রবাহ ও পরিণতির কথা বিবেচনা করলে এটাকে অনেকটা Goodfellas বা The Irishman মুভির সঙ্গে তুলনা করা যায়। এই মুভির কাহিনী আসলে মুখে বর্ণনা করে সেভাবে বোঝানো সম্ভব নয়, ঠিক দেখে যেরকম উপলব্ধি করা সম্ভব। বেশি বললে স্পয়লার হয়ে যাবে, তাই আর বলতে চাচ্ছি না।

Happy_Watching

Warning: মুভির ভাষা প্রচুর গালিগালাজপূর্ণ এবং বহু এ্যাডাল্ট কথাবার্তা রয়েছে। এই মুভি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে টানা কয়েক বছরের জন্য শীর্ষে ছিল সর্বাধিক স্ল্যাং-এর ব্যবহারের জন্য, যদিও বর্তমানে এটি তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। বেশ কয়েকটা ১৮+ সিন-ও রয়েছে এই মুভিতে, যা জর্ডান বেলফোর্টের লেখা আত্মজীবনীর স্বার্থেই ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু সিন রয়েছে যা দর্শকদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে!!

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started