“Shiri” Movie Review

Movie_Name: Shiri (1999) [Also known as “Swiri”]

Industry: Korean

Genre: Action, Thriller

Director: Je-kyu Kang

IMDB_Rating: 6.6/10 (7.7K Votes)

Tomatometer: 59% (60 Counts)

Metascore: 50/100 (18 Critic Reviews)

Runtime: 2h 5min

Personal_Rating: 7/10

82% Google users liked this

Spoiler_Alert

২০০২ সালে Orion Cinema Network নামের এক মুভি চ্যানেল্ল কর্তৃক অনুষ্ঠিত ৫৪,০১৩ লোকের এক অনলাইন ভোটে মুভিটি ১১,৯১৮ ভোট পেয়ে কোরিয়ানদের প্রিয় ফিল্ম হিসেবে নির্বাচিত হয়।

এ্যাকশন থৃলার জনরার কোরিয়ান মুভিগুলোর মধ্যে এই মুভিটির অবস্থান অবশ্যই অন্যতম, যদিও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খুব একটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে নি মুভিটি। মুভির কাহিনী শুরু হয় রু এবং লি নামের দুই স্পেশাল এজেন্টের এক মহিলা গুপ্তঘাতককে অনুসন্ধানের মাধ্যমে। তারা একই সঙ্গে কোরিয়ান সমাজে অনুপ্রবেশ করা কিছু স্পাইইদেরও ট্র‍্যাক করতে থাকে। কিন্তু তাদের প্রাথমিক টার্গেট থাকে কিম নামের সেই মহিলা এ্যাসাসিন স্নাইপার, যার অবস্থান সিউলের কাছাকাছি কোনো জায়গায় নিশ্চিত করা হয়।

আবার অন্যদিকে দেশত্যাগী নর্দানদের একটি টিম সিউলে কিছু উদ্বায়ী বিস্ফোরক ও প্ল্যান্ট বম্ব হাইজ্যাক করে, যেটা তারা দুই কোরিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত এক ফ্রেন্ডলি ফুটবল ম্যাচের দিনে ফাটানোর পরিকল্পনা করে। তাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে দুই কোরিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়া।

ডিরেক্টর ক্যাং-এর মুভি সবসময় কোরিয়ার বক্স অফিস চ্যাম্পিয়ন হয়ে থাকে। এই মুভির রিলিজের পর তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেন যে এই মুভিটি দেখা কোরিয়ার প্রত্যেক কোরিয়ান নাগরিকের দেশের প্রতি কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। একাধিক এ্যাকশন সিন ও অনন্য ক্লাইমেক্সের মাধ্যমে মুভির কাহিনী এগোতে থাকে। মুভির কাহিনীতে রহস্য ও ঘটনার টুইস্টেরও কোনো কমতি নেই। এর মধ্যে সবচেয়ে বড়
টুইস্টটি ছিল সেই স্নাইপারকে নিয়ে, যাকে এজেন্টরা এতদিন ধরে খুঁজে আসছিল। এক কথায় রোমাঞ্চে ভরপুর আন্ডাররেটেড এক অনবদ্য এ্যাকশন থৃলার।

Happy_Watching

“Serenity” Movie Review

Movie_Name: Serenity (2005)

Genre: Action, Adventure, Sci-Fi, Thriller

Director: Joss Whedin

IMDB_Rating: 7.8/10 (279K Votes)

Tomatometer: 83% (187 counts)

Metascore: 74/100 (34 Critic Reviews)

Runtime: 1h 59min

Personal_Rating: 8/10

Box_Office: $40.4 Million

80% Google users like this.

Spoiler_Alert

সাইন্স-ফিকশন জগতের এক অন্যতম মুভি এই Serenity. SFX magazine কর্তৃক অনুষ্ঠিত ৩০০০ লোকের এক ভোটে এই মুভিটি সেরা সাই-ফাই নির্বাচিত হয়। অন্যতম সেরা সাই-ফাই সিরিজ “Firefly”-এর কাহিনীরই একটি অংশ এই মুভিটি। “Firefly” এর অভিনেতা/অভিনেত্রিরাই এই মুভির কাস্টিং করেন এবং সিরিজটির ১১তম এপিসোডটিরও একই নাম।

মুভির প্রেক্ষাপট ২৫১৭ সালের। পৃথিবীর মানুষ বসবাসের জন্য এক নতুন সৌরজগৎ তৈরি করেছে। কেন্দ্রীয় গ্রহগুলো এ্যালায়ান্স নামে একটি কর্পোরেট সুপারগভার্নমেন্ট প্রতিষ্ঠা করে ও বাইরের গ্রহগুলোর সাথে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করে, যারা এ্যালায়ান্স বিরোধী ছিল।

মুভির কাহিনী মূলত Serenity নামের এক স্পেসশিপকে নিয়ে আর এই স্পেশশিপের ক্রুদের অভিযানকে ঘিরেই মুভির কাহিনীর সকল ঘটনা আবর্তিত হয়।

মুভির শুরুর দিকে রিভার নামের এক মেয়ের উপর এক্সপেরিমেন্ট চালানো হয় তাকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য। তার বড় ভাই যদিও তাকে উদ্ধার করে, তবুও এক্সপেরিমেন্টটি ইতোমধ্যে সফল হয়ে যাওয়ায় রিভার বিশেষ ক্ষমতা অর্জন করে। এরপর তারা সেরেনিটি স্পেশশিপটিতে রিফিউজি হিসেবে আশ্রয় নেয়, যার ক্যাপ্টেন ছিলেন ম্যালকম রেনল্ডস।

এরপর একে একে ঘটতে থাকে একে একে সব দুঃসাহসিক ঘটনা৷ এ্যালায়ান্সের মানবজাতির ভবিষ্যত নিয়ে পরিকল্পনা বরঞ্চ হয়ে ওঠে মানববিধ্বংসী। আর যাত্রাপথে সেরেনিটি জাহাজের ক্রুদের সঙ্গে রীভার নামের হিংস্র গোষ্ঠীর সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ আর এ্যালায়েন্সের এক এজেন্টের সঙ্গে তাদের লুকোচুরি খেলার মাধ্যমে কাহিনী এগিয়ে যেতে থাকে। এ্যালায়েন্সের মানবজাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে করা এক যুগান্তকারী পরীক্ষা একে তো ব্যর্থ হয়ই, একই সাথে তা সাধারণ মানুষদের ভবিষ্যতের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। সেরেনিটির ক্রুরা এ্যালায়েন্সের সেই গুপ্ত তথ্য জেনে যায়, যা তারা এতদিন গোপন করে রেখেছিল। তাহলে শেষ পর্যন্ত সেরেনিটি নামের সেই স্পেশশিপ ও তার ক্রুদের সঙ্গে কী ঘটল?? জানতে হলে দেখে ফেলুন।

Happy_Watching

“Citizen Kane” Movie Review

Movie_Name: Citizen Kane (1941)

Genre: Drama, Mystery

Director: Orson Welles

IMDB_Rating: 8.3/10 (387K Votes)

Tomatometer: 100% (90 Counts)

Metascore: 100 (19 Critic Reviews)

Runtime: 1h 59min

Personal_Rating: 9/10

83% Google users like this

No_Spoiler

২০০৭ সালে ফ্রেঞ্চ ফিল্ম ম্যাগাজিন Cahiers du cinéma কর্তৃক অনুষ্ঠিত ৭৮ জন ফরাসি ক্রিটিক ও ইতিহাসবিদের ভোটে ৪৮ ভোট পেয়ে এটি শীর্ষ স্থান পায়। আবার ২০১২ সালে একটি চাইনিজ ওয়েবসাইট Cinephilia ডট নেট কর্তৃক অনুষ্ঠিত আরেকটি ভোটেও ১৩৫ জন চীনা স্কলার ও ক্রিটিকদের ভোটে ৪৮ জনের ভোট পেয়ে এটি শীর্ষ মুভির মর্যাদা পায়। এছাড়াও ১৯৯৯ সালে স্প্যানিশ ফিল্ম ম্যাগাজিন Nickel Odeon কর্তৃক অনুষ্ঠিত বিশেষজ্ঞদের ভোটে ১৫০ জনের মধ্যে ৪৯ জনের ভোট পেয়ে এটি শীর্ষ স্থান লাভ করে। এছাড়াও American Film Institute-এর শীর্ষ ১০০ মুভির মধ্যে রয়েছে এই মুভিটির অবস্থান।

এখন পর্যন্ত অনেক মানুষই রয়েছেন, যারা এখনও এই মুভিটিকে তাদের জীবনে দেখা সেরা মুভি মনে করেন। অনেক পুরাতন হলেও মুভির কাহিনীর কনসেপ্টটা যে ধরণের আধুনিক চিন্তাধারার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে, তা বর্তমান সময়ের মুভিতে দুষ্প্রাপ্য।

মুভির প্রধান চরিত্র চার্লস ফস্টার কেন নামের এক বিশিষ্ট শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ, যিনি তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন। তার নিজস্ব একটি আলাদা পত্রিকা কোম্পানিও রয়েছে, যে পত্রিকার নাম New York Inquirer. এই পত্রিকার মাধ্যমেই তার ক্যারিয়ার শুরু হয় এবং খুবই অল্পসময়ের মধ্যেই তা অন্যান্য পুরাতন আমেরিকান পত্রিকাকে ছাপিয়ে শীর্ষে উঠে যায়। মুভির ঘটনাপ্রবাহের দিক থেকে চিন্তা করলে একে অনেকটাই The Wolf of Wall Street মুভির সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে, কারণ উভয় মুভিতেই অতিরিক্ত ধনী হওয়ার কুপ্রভাব অনেক সুন্দরভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও আমেরিকার তৎকালীন সময়ের বাণিজ্য ব্যবস্থা, স্টক মার্কেট থেকে শুরু করে ব্যবসা সম্পর্কিত অনেক কিছুই মুভিটিতে ফুটে উঠেছে। ব্যবসায় পার্টনার এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে গড়ে ওঠা ব্যক্তিগত সংঘর্ষ, নোংরা রাজনীতি, একে অন্যকে দমিয়ে রাখার জন্য কুপ্ররোচনা ও পরনিন্দা- একই সঙ্গে সমাজের উচুতলার মানুষদের জীবনের বহু নেতিবাচক দিক ফুটে উঠেছে মুভিটিতে।

মুভিটির কাহিনীও যেমন অনন্য ও অসাধারণ, একই সঙ্গে মুভিটি থেকে আপনি ধনী ব্যক্তিদের জীবনের বাস্তবতা সম্বন্ধেও অনেক কিছু জানতে পারবেন। এক কথায় অসাধারণ একটি মুভি।

Happy_Watching

“Bicycle Thieves” Movie Review

Movie_Name: Bicycle Thieves (1948)

Industry: Italian

Genre: Drama

Director: Vottorio De Sica

IMDB_Rating: 8.3/10 (140K Votes)

Tomatometer: 98% (68 Counts)

Runtime: 1h 29min

Personal_Rating: 9/10

98% Google users like this

Spoiler_Alert

১৯৫২ সালে অনুষ্ঠিত ক্রিটিকদের একটি পোলে এই মুভিটি ১ম স্থান লাভ করে। শিক্ষণীয় বা মোটিভেশনাল ক্যাটাগরির লিস্টে আমি অবশ্যই মুভিটিকে অন্যতম অবস্থানে রাখব।

মুভির কাহিনী ঠিক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের। ইতালির প্রেক্ষাপটে যে সময়টা সমাজের প্রতিটা নিম্ন শ্রেণির মানুষের জীবনে নেমে এসেছিল দুর্দশা। খাদ্যাভাব, নেই কোনো জীবিকা নির্বাহের উপায়, দিন এনে দিন খেয়ে বহু কষ্টে জীবন-যাপন করতে হয় সেসব মানুষদের। চাকরি যেন মানুষের কাছে হয়ে গেছে আকাশের চাঁদ।

মুভিটিতে নিম্ন শ্রেণির সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে দেখানো হয়েছে একটি পরিবারকে, যে পরিবারের কর্তার নাম এ্যান্টনিও রিকি। স্ত্রী ও এক ছোট ছেলেকে নিয়েই তার পরিবার। চাকরির বাজারে যখন মঙ্গা চলছে, তখন এ্যান্টনিও পোস্টার লাগানোর এক চাকরি পায় এই শর্তে যে তার একটি সাইকেল থাকা লাগবে। সে জীবিকার তাগিদে জীবনের কিছু শেষ সম্বল বিক্রি করে একটি সাইকেল কেনে ও কাজে যোগ দেয়। কিন্তু হঠাৎ করেই তার বহু কষ্টে কেনা সেই সাইকেলটি চুরি হয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত তাকে তার ছোট ছেলের সঙ্গে নামতে হয় সাইকেল অনুসন্ধান অভিযানে। পথিমধ্যে তারা এমন অনেককেই সন্দেহ করে, যারা আসলে দোষী নাকি নির্দোষ তা গল্পের মধ্যে ঠিকভাবে বোঝা যায় না। কিন্তু তারা কেউই চাপে পড়েও দোষ স্বীকার করে না। সেই অনুসন্ধানে তাদের বিভিন্ন ধরণের মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত হয়, যাদের অনেকেই তাদেরকে অবহেলার দৃষ্টিতে দেখেছে, বা তাদের উপর জিদ খাটিয়েছে। চুরি হওয়া সাইকেল খুঁজতে যেয়ে অনেক বহু বিব্রতকর পরিস্থিতিতেও পরতে হয় তাদের। কিন্তু সাইকেল আর তাদের পাওয়া ওঠে না। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে যখন সে নিজেই আরেকজনের সাইকেল চুরি করতে যায়, তখন তার মালিকের মহানুভবতা দেখে সে নিজেই বেশ অবাক হয়ে যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের পরিস্থিতির সুন্দর দৃশ্যায়নের পাশাপাশি মুভিটিতে মানুষের জীবনের বাস্তবতার একাধিক দিক প্রদর্শন করা হয়েছে বাস্তবধর্মী ঘটনার মাধ্যমে। আমাদের জীবনে আমরা সেসব জিনিসের দিকেই বেশি দৃষ্টিপাত করি, যেগুলোর আমাদের বাস্তবিক প্রয়োজনই নেই। অথচ যে জিনিসগুলোর প্রকৃতই প্রয়োজন, সেগুলো অনেক সময়ই অর্থের বিনিময়ে পাওয়া সম্ভব না। আর আমরা যখন সামাজিক কারণে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরি, তখন আমাদের আশেপাশের সব মানুষকেই বিশ্বাসঘাতক বলে মনে হয়। কিন্তু সেই মানুষদের মধ্যেও যে অনেকেই আসলে আমাদের ক্ষতি করতে চায় না, আবার কিছু সংখ্যক মানুষ সাহায্যের হাতও বাড়িয়ে দিতে চায়, তা আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে না। সত্যি বলতে এটি জীবনের গভীর বাস্তবতাকে অতি খুবই সুন্দরভাবে তুলে ধরা একটি অসাধারণ ও অনবদ্য কাহিনী।

Happy_Watching

“Casablanca” Movie Review

Movie_Name: Casablanca (1942)

Genre: Drama, Romance, War

Director: Michael Curtiz

IMDB_Rating: 8.5/10 (507K Votes)

Tomatometer: 99% (90 Counts)

Metascore: 100 (18 Critic Reviews)

Runtime: 1h 42min

Personal_Rating: 9/10

Spoiler_Alert

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এর আগে অনেক মুভিই দেখেছি। কিন্তু এই মুভিটার আমার কাছে একটা আলাদা ধরণের তাৎপর্য রয়েছে, কেননা এর কাহিনী বাকি মুভিগুলোর চেয়ে অনেকটাই আলাদা, সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাস্তবধর্মী কাহিনী নিয়ে।

জার্মান নাৎসি বাহিনী যখন পুরো ইউরোপ দখল করে নিতে থাকে, তখন সমগ্র ইউরোপ থেকে বহু মানুষ ছুটে আসে মধ্যপ্রাচ্যের কাছাকাছি দেশগুলোয়, যাদের মধ্যে বৃহৎ অংশ ছিল ইহুদি। মরক্কোর কাসাব্লাংকাতে ছিল এসব ইউরোপিয়ান রিফিউজিদের থাকার জন্য অনেক বড় একটি ক্যাম্প। কাহিনীটি মূলত সেই ক্যাম্পকে ঘিরেই।

কাহিনীর মূল নায়ক রিক ব্লেইন একজন আমেরিকান প্রবাসী, যে কাসাব্লাংকায় “Rick’s Café Américain” নামে এক কফি শপ চালাত। সেখানে হঠাৎই দুজন জার্মান অফিসিয়াল খুন হন এবং উগার্তে নামের একজন ব্যক্তি কোনো কারণ না দেখিয়েই দুটি চিঠি রিকের কাছে রাখতে দেয়, যেটা আসলে ছিল ইউরোপের “letters of transit”। পুলিশ সেই হত্যাকাণ্ডের মূল হোঁতা খুজতে থাকে, ততক্ষনে উগার্তে গ্রেফতার হয়ে পুলিশের কাস্টোডিতেই মারা যায়। পুলিশ ধারণা করে ঐ লেটার দুটির জন্যই মূলত হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে।

কাহিনীর মাঝখানে অবতারণা ঘটে ইউরোপে Czech Resistance-এর লিডার ভিক্টর লাজলোর, যাকে পুলিশ অনেক দিন ধরে খুজে বেড়াচ্ছে। লাজলোর স্ত্রী ইলসার আবার লাজলোর সঙ্গে বিয়ের আগে রিকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। লাজলোর তার স্ত্রীসহ ইউরোপে পালিয়ে যাওয়ার জন্য লেটার দুটির খুবই প্রয়োজন ছিল। ধীরে ধীরে অবতারণা ঘটে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্রিমিনাল ফেরারির, পরবর্তীতে লাজলোর সঙ্গে রিকের সেই চিঠি নিয়ে কথাবার্তা হয়, ইলসা আর রিকের পুরনো ভালোবাসার স্মৃতি রোমন্থন করে তারা, পুলিশো লাজলোর পেছনে ছুটতে থাকে- এভাবেই কাহিনী অগ্রসর হতে থাকে।

পরবর্তীতে লাজলো গ্রেফতার হবার পর রিক পুলিশ অফিসার লুইস রেনোকে লোভ দেখায় ও ঐ লেটারের মাধ্যমে লাজলো আর ইলসাকে প্লেনে করে পর্তুগালের লিসবনে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। পুলিশ অফিসার স্ট্রেসার বাধা দিতে গেলে রিক তাকে গুলি করতে বাধ্য হয়। ইলসা যেতে আপত্তি করলে রিক তার বিখ্যাত সেই উক্তিটি করে, “Maybe not today, maybe not tomorrow but soon and for the rest of your life.” পুলিশ স্ট্রেসার হত্যার সাসপেক্ট খুঁজতে থাকলে রেনো রিককে যুদ্ধ শেষে স্বাধীন ফ্রান্সের ব্রাজাভিলে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। কুয়াশার মধ্যে তারা হাঁটতে থাকলে রিক বলে, “Louis, I think this is the beginning of a beautiful friendship”.

এক কথায় একে যেমন অসাধারণ কাহিনী, একই সাথে রোমান্টিক আবহের প্রবর্তনায় যেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বাস্তব ঘটনাই ফুটে উঠেছে। অসাধারণ নাটকীয়তার অনবদ্য একটি মুভি।

Happy_Watching

“Anand” Movie Review

Every_Medical_Student_and_Doctor_Must_Watch_This

Movie_Name: Anand (1971)

Language: Hindi

Director: Hrishikesh Mukherjee

IMDB_Rating: 8.6/10 (27K Votes)

Rotten_Tomatoes: 96% (Audience Score)

Runtime: 2h 2min

Personal_Rating: 9/10

হালকা_স্পয়লার

“Before passing medical degree, I used to think doctors save lives. But now I realize, they actually save deaths.”

এক অত্যন্ত প্রতিভাবান এবং সৎ চিকিৎসক ড. ভাস্কর ব্যানার্জি (ক্যান্সার স্পেশালিস্ট)। মেডিক্যাল পড়ার আগে তার ডাক্তারি পেশা সম্পর্কে যে ধারণা ছিল, ডাক্তার হওয়ার পর সে ধারণা অনেকটাই বদলে যায়। সমাজের একেবারে নিচু স্তরের মানুষগুলোকে যখন সে দেখতে শুরু করে, যাদের ওষুধ কেনার তো দূরের কথা, খাবার কেনারই টাকা নেই, তখন সে নিজেকে সমাজের কাছে অপদার্থ মনে করতে থাকে। কারণ সে রোগীকে রোগ সাড়ানোর জন্য ওষুধ ঠিকই দিতে পারছে, কিন্তু সমাজ থেকে দারিদ্র‍্য দূর করার কোনো ওষুধই তার জানা নেই। বস্তিতে কোনো শিশু জন্ম নিলেই তার মনে হত যেন একজন মরতে না মরতেই আরেকজন মরার জন্য পৃথিবীতে হাজির হয়েছে। এগুলো নিয়ে চিন্তা করতে করতেই তার দিন কাটতে থাকে, যতক্ষন পর্যন্ত না তার জীবন এক নতুন মোড় নেয়।

ড. ভাস্করের জীবনের সেই নতুন মোড়টির নাম ছিল আনন্দ। নাম যেমন, কাজও ঠিক তেমনই। কথা বলতে ভালোবাসে, সবসময় মুখে হাসি লেগে আছে, অন্যকে হাসাতেও সে খুব পছন্দ করে। অথচ সে ফাইনাল স্টেজের ক্যান্সার পেশেন্ট। বড়জোড় হলে তার আয়ু আছে আর ছয় মাস। যেখানে ছয় মাস পরেই যে তার জীবনের কাটা থেমে যাবে, সেখানে ব্যাপারটা নিয়ে তার কোনো ভ্রুক্ষেপই নেই। যেন মৃত্যু তার কাছে কোনো চিন্তার বিষয়ই না। সে চায় জীবনের শেষ কয়েকটা দিন হাসি-আনন্দে আশেপাশের মানুষগুলোর সঙ্গে কাটাতে, তাদের মুখে হাসি ফোটাতে, তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে। মানুষের জীবনের গভীর বাস্তবতা ও উপলব্ধির বিষয়বস্তু ফুটে উঠেছে আনন্দ চরিত্রটির মাধ্যমে। আর ড. ভাস্কর চরিত্রটি যেন চিকিৎসক-সমাজের মানুষের জীবনের গভীরে লুকিয়ে থাকা অব্যক্ত কথাগুলিকে টেনে বের করে এনেছে। আবার অন্যদিকে ডাক্তারদের ব্যবসায়ী মনোভাবের নেতিবাচক দিকগুলোর বাস্তবতাকেও তুলে ধরা হয় পার্শ্ব-চরিত্রের মাধ্যমে।

মুভির শুরুতে আনন্দ ড. ভাস্করকে বলে, “বাবুমশাই, তুমি যদি ১০০ বছর বাঁচ, তাহলে তোমার হাতে সময় আছে আর ৭০ বছর। কোনো অসুখ নেই, বিসুখ নেই, তবুও প্রকৃতির নিয়ম। ৭০ বছর আর ৬ মাস, পার্থক্যটা আসলে কোথায়? জীবনকে লম্বা নয়, বড় হওয়া উচিৎ।“ আনন্দের জীবনে শেষ পর্যন্ত কী ঘটল আর তা ড. ভাস্করের জীবনেই বা কী প্রভাব ফেলল? জানতে হলে দেখেই ফেলুন মুভিটি।

Happy_Watching

“Star Wars Episode IV,V,VI” Review

★★ মুভি সিরিজ রিভিউ★★

Names_of_Movies:

  1. Star Wars : Episode IV – A New Hope (1977)
  2. Star Wars : Episode V – The Empire Strikes Back (1980)
  3. Star Wars : Episode VI – The Return of the Jedi(1983)

Directors:

  1. George Lucas
  2. Irvin Kreshner
  3. Richard Marquand

IMDB_Ratings:

  1. 8.6 (1.2M Votes)
  2. 8.7 (1.1M Votes)
  3. 8.3 (923K Votes)

Tomatometer:

  1. 92% (129 Counts)
  2. 94% (102 Counts)
  3. 82% (94 Counts)

Metacritic:

  1. 90/100 (24 Critic Reviews)
  2. 82/100 (25 Critic Reviews)
  3. 58/100 (24 Critic Reviews)

Box_Office:

  1. $777.5 Million
  2. $548 Million
  3. $475.3 Million

Runtime:

  1. 2h 1min
  2. 2h 4min
  3. 2h 11min

No_Spoiler

অনেকদিন ধরেই ইচ্ছা ছিল Star Wars দেখার। কিন্তু কোন মুভিটা থেকে শুরু করব বা কীভাবে শুরু করব- কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তারপর নেটে ঘাটতে লাগলাম সে সম্বন্ধে ইনফরমেশন।

Star Wars Episode I এর রিলিজ হয় ১৯৯৯ সালে। তারপর Episode II এর রিলিজ ২০০২ সালে, Episode III এর রিলিজ ২০০৫ সালে। এ পর্যন্ত সিকুয়েন্স ঠিক আছে। কিন্তু Episode IV টাতে গিয়ে লেগে গেল খটকা!! ২০০৫ সালের পর চলে গেল সুদূর অতীতে, ২৮ বছর আগে ১৯৭৭ সালে!!! পরে এটা নিয়ে নেটে আরো ঘাটতে লাগলাম। জানলাম যে Episode IV-ই বেরিয়েছিল সবার আগে, কিন্তু রিলিজ হবার পরপরই সেটার নামের সাথে Episode IV অংশটি যুক্ত করা হয় নি। ১৯৯৯ সালে প্রথম সেই কাহিনীর প্রিকুয়েল বের করা হলে আগে বের হওয়া মুভি তিনটির নামের সঙ্গে Episode IV, V, VI জুড়ে দেয়া হয়।

মুভি তিনটি বর্তমান সময়ের দর্শকদের কাছে ঠিক কেমন লাগবে তা বলা মুশকিল। কারণ বর্তমান পৃথিবীতে আমরা যেমন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় লেগে আছি, ৭০ বা ৮০-র দশকের দিকে তাকালে সেসব আধুনিকতার কিছুই আমরা দেখতে পাব না৷ হয়তোবা যেসব দেখতে পাব, সেগুলো বর্তমান সময়ের কাছে নিতান্তই খেলনার বস্তু। আর মুভি সিরিজটি ঠিক সেই সময়েই রিলিজ করা, যেসময় উন্নত প্রযুক্তির অভাবে সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ মহাকাশ যাত্রা বা পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা বা ধারণা বর্তমান যুগের চেয়ে কিছুটা হলেও কম ছিল, আর সেগুলো নিয়ে মুভিও তেমন বের হয় নি। যে কয়টা মুভি বেরিয়েছিল তার মধ্যে 2001 : A Space Odyssey, Solaris, Blade Runner- এগুলো ছিল অন্যতম। তাই সেই সময় হাতেগোণা এই কয়েকটি মুভিই সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল। কিন্তু তার পর থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ে আসতে আসতে মহাকাশ যাত্রা বা এই ধরণের ঘটনা নিয়ে অসংখ্য মুভি বের হয়ে গেছে, এগুলো আধুনিক যুগের মানুষের কাছে যেন হাতের মোয়া।

তবে মুভি সিরিজটির কাহিনীর দিকে দৃষ্টিপাত করলে সেটাকে কোনোভাবেই খারাপ বলা যায় না, কেননা স্টার ওয়ারস-এর কনসেপ্টটার মধ্যেই একটা আলাদা অনন্যতা আছে। কিন্তু মুভিতে দেখানো অত্যাধুনিক সামগ্রী বা ভিজ্যুয়্যাল ইফেক্টকে বর্তমান সময়ের মুভিগুলোর সাথে তুলনা করলে অত্যন্ত সেকেলে বলে মনে হবে, যার কাহিনী উপভোগ্য হলেও দেখার সময় কিছুটা অন্যরকম ফিল হওয়াটা অস্বাভাবিক না।

কাজেই “Star Wars” মুভি সিরিজটি Episode I থেকে শুরু করবেন নাকি Episode IV থেকে শুরু করবেন, সেটা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার, কোনোটাতেই আপনার আফসোস বোধ হবে না। তবে এই তিনটি মুভি দেখার সময় যদি কোনো কারণে সেকেলে লাগে বা বোরিং ফিল করেন, তবে তৎকালীন সময়ের পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে তবেই দেখুন। আর যদি পুরনো মুভিতে অভ্যস্ত হন, তাহলে অথবা এমনিতেও ভালো লাগতে পারে।

Happy_Watching

“Hamilton” Movie Review

ফিল্মইন্ডাস্ট্রিজগতেএকনতুনদিগন্তেরসূচনা!!!

Movie_Name: Hamilton(2020)

Genre: Biography, Drama, History, Musical

Director: Thomas Kail

IMDB_Rating: 8.8/10 (31.3K Votes)

IMDB_Top_Ranking: 19

Metascore: 90/100 (42 Reviews)

Tomatometer: 99% (164 Counts)

Runtime: 2h 40min

Personal_Rating: 10/10

No_Spoiler

একদিন হঠাৎ IMDB Top 250 Movies-এর লিস্ট-এ গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ!! এতদিনের পুরনো মাস্টারপিসগুলোর ভিড়ে ১৯তম অবস্থান দখল করে আছে এই মাসেরই ৩ তারিখ রিলিজ পাওয়া এই মুভিটি। ব্যাপারটা দেখেই মনের মধ্যে অস্বাভাবিক উত্তেজনা অনুভব হল, মুভিটা দেখা থেকে নিজেকে আর কোনোভাবেই আটকাতে পারলাম না।

দেখা শুরু করার পর এটিকে মুভি মানতেই কেমন জানি অস্বাভাবিক লাগছিল। কারণ বর্তমান জমানায় এমন কিছু আমি কখনোই প্রত্যাশা করি নি। মুভির শ্যুটিং পুরোটা এক স্টেজের মধ্যে, শুধু কিছুক্ষণ পর পর দৃশ্য পরিবর্তন। মুভির প্রতিটা ডায়ালোগ গানের সুর দিয়ে, আর অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কিছুক্ষণ পরপরই নাচের মাধ্যমে কাহিনীর প্রদর্শন। মনে হল যেন প্রাচীন শেক্সপেয়ার যুগে ফিরে গিয়েছি!! আমি এর আগে বেশ কিছু মঞ্চনাটক দেখেছি, তবে এই টাইপের কোনোকিছুকে মুভির স্বীকৃতি দেয়া আমার কাছে এই মুভি জগতের এক অনন্য ব্যতিক্রমী চিন্তা বলে মনে হয়েছে।

Disney+ প্লাটফর্মে গত ৩ তারিখ রিলিজ হওয়া এই মুভিটির মূলত রিলিজ হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালের ১৫ই অক্টোবরে। করোনা মহামারীর কথা বিবেচনা করে হঠাৎ করেই এটির মুক্তি দেয়া হয়। কেবল দুই সপ্তাহের একটু বেশি হল মুভিটার রিলিজের, তাতেই সব বিখ্যাত ক্রিটিক, তারকা, মুভি বিশারদদের জগতে সেটা শোরগোল তৈরি করে, এমন ভিন্ন ধরণের এক উপস্থাপন দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া জাগায়।

মুভিটি আসলে আলাদাভাবে শ্যুটিং করা কিছুই না। নিউ ইয়র্কের কেন্দ্র মিডটাউন ম্যানহাটান-এর Richard Rodgers Theatre-এ ২০১৬ সালের জুন মাসে “Hamilton”-এর তিনটা লাইভ পারফরমেন্স অনুষ্ঠিত হয়, পরবর্তীতে এর দৃশ্যাবলি এডিট করে মুভির আকারে রূপ দেয়া হয়। মুভির কাহিনী মূলত অষ্টাদশ শতকের প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব আলেক্সান্ডার হ্যামিলটনকের জীবনী নিয়, যিনি ছিলেন একাধারে বিখ্যাত ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, বিদ্বান, সামরিক কর্তা, আইনজীবী, ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। মুভিটিতে মূলত ফোকাস করা হয়েছে হ্যামিলটনের ক্যারিয়ার লাইফ নিয়ে। কিন্তু অন্য কোনো বায়োগ্রাফি মুভির সঙ্গে এটা কোনোভাবেই তুলনীয় নয়, কেননা এখানে ঘটনাপ্রবাহের উপস্থাপন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী।

মঞ্চনাটক হিসেবে হোক আর মুভি হিসেবে হোক, “Hamilton” এক কথায় এক অনবদ্য মাস্টারপিস। আর মঞ্চনাটকের সঙ্গে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সরসরি সংযোগ সাধনের মাধ্যমে মুভি জগতের ইতিহাসে অগ্রদূতের ভূমিকা পালন করেছে মুভিটি। সত্যি বলতে এটি আমার জীবনে দেখা অন্যতম এক ব্যতিক্রমী মুভি এটি, আর এই একবিংশ শতাব্দীতে এধরনের কিছু নিঃসন্দেহে বিরল।

Happy_Watching

“The Wolf of Wall Street” Movie Review

Movie_Name: The Wolf of Wall Street(2013)

Genre: Biography, Crime, Drama

IMDB_Rating: 8.2/10

Rotten_Tomatoes: 82%(Audience Score)

Metascore: 75/100

Personal_Rating: 9/10

হালকা_স্পয়লার

“অর্থই সকল অনর্থের মূল” বা “অতি লোভে তাঁতি নষ্ট” নীতিকথার মুভিগুলোর মধ্যে এই মুভিটার অবস্থান অবশ্যই অসামান্য। বিজনেস নিয়ে কোনো মুভির কথা উঠলেই যেসব মুভির কথা সবার আগে আসে, সেসব মুভিগুলোর মধ্যে এটি একটি অন্যতম মুভি। সবার হয়তোবা মুভিটা ভালো নাও লাগতে পারে, তবে বিজনেস মাইন্ডেডদের জন্য এটা অবশ্যই সেরা সাজেশন। মুভিটা সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত। এটি জর্ডান বেলফোর্ট নামক এক ওয়াল স্ট্রিট ব্যবসায়ী ও স্টকব্রোকার এর জীবনকাহিনী। মুভিটি জর্ডান বেলফোর্টেরই লেখা ২০০৯ সালে প্রকাশিত একই টাইটেলের বইয়ের কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। মুভির কাহিনী এক কথায় অসাধারণ, তার চেয়ে বড় কথা সম্পূর্ণ বাস্তব। লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিওর অভিনয়ে জর্ডান বেলফোর্ট চরিত্রটি বেশ ভালোভাবে ফুটে উঠেছে। এছাড়াও অভিনয়ে রয়েছেন জোনাহ হিল, মার্গোট রবি- সহ অনেক খ্যাতনামা অভিনেতা/অভিনেত্রী। ১৯৮৭ সাল পরবর্তী সময়ে জর্ডান বেলফোর্টের প্রতিষ্ঠিত Stratton Oakmont বিজনেস ফার্ম এবং এই প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ঘটা সকল অনৈতিক, লোক ঠকানো, দূর্নীতিবাজ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়েই এই মুভির কাহিনী অগ্রসর হয়েছে। মুভির প্রবাহ ও পরিণতির কথা বিবেচনা করলে এটাকে অনেকটা Goodfellas বা The Irishman মুভির সঙ্গে তুলনা করা যায়। এই মুভির কাহিনী আসলে মুখে বর্ণনা করে সেভাবে বোঝানো সম্ভব নয়, ঠিক দেখে যেরকম উপলব্ধি করা সম্ভব। বেশি বললে স্পয়লার হয়ে যাবে, তাই আর বলতে চাচ্ছি না।

Happy_Watching

Warning: মুভির ভাষা প্রচুর গালিগালাজপূর্ণ এবং বহু এ্যাডাল্ট কথাবার্তা রয়েছে। এই মুভি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে টানা কয়েক বছরের জন্য শীর্ষে ছিল সর্বাধিক স্ল্যাং-এর ব্যবহারের জন্য, যদিও বর্তমানে এটি তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। বেশ কয়েকটা ১৮+ সিন-ও রয়েছে এই মুভিতে, যা জর্ডান বেলফোর্টের লেখা আত্মজীবনীর স্বার্থেই ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু সিন রয়েছে যা দর্শকদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে!!

“Stagecoach” Movie Review

Movie_Name: Stagecoach(1939)

Genre: Western, Adventure, Drama

Director: John Ford

IMDB_Rating: 7.9/10 (40K Votes)

Metascore: 93/100

Tomatometer: 100%

Runtime: 1h 36min

Personal_Rating: 8/10

হালকা_স্পয়লার

ওয়েস্টার্ন জনরার এক অন্যতম সৃষ্টি এই “Stagecoach” নামের মুভিটি। মুভিটি ১৯৯৬ সালে স্প্যানিশ ফিল্ম ম্যাগাজিন Nickel Odeon এর এক ভোটে ১০০ জন অভিজ্ঞ ক্রিটিকদের মধ্যে ৫৪ জনের ভোট পেয়ে সর্বকালের সেরা ওয়েস্টার্ন মুভির মর্যাদা পায়। এছাড়াও মুভিটার দখলে ছিল ২ টি অস্কার ও ৭ টি নমিনেশন।

মুভিটি Dudley Nichols এর “The Stage to Lordsburg” স্ক্রিনপ্লের আদলে নির্মিত হয়েছিল। মুভির কাহিনী মূলত একদল আগন্তুকের তৎকালীন আমেরিকার বর্বর Apache-দের(American Tribe) এলাকার মধ্য দিয়ে Stagecoach-এ(এক ধরণের চার-চাকার বাহন) নিউ মেক্সিকোর লর্ডসবার্গ অভিমুখে দুঃসাহসিক যাত্রাকে নিয়ে। এই অভিযানে আগন্তুকদের সঙ্গী ছিল দালাস নামের স্থানীয় যৌনকর্মী ও প্রসূতি মহিলা লুসি ম্যালোরি– এই দুই নারী চরিত্র। আগন্তুকদের বাকিদের মধ্যে ছিল এক ব্যাংকার, এক এ্যালকোহলিক, এক হুইস্কি বিক্রেতা, স্টেজ ড্রাইভার ও তার শটগান গার্ড। মুভির শুটিং হয়েছিল এ্যারিজোনার মন্যুমেন্ট ভ্যালিতে। অন্য সব ওয়েস্টার্ন মুভির মত যুদ্ধ, অভিযান, লোভ, প্রতিশোধ – সহ রোম্যান্টিক কাহিনীর কিছুটা প্রাদুর্ভাব ঘটেছে মুভিটাতে, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মাত্রা এনে দিয়েছে। প্রখ্যাত অভিনেতা জন ওয়েনের “রিংগো কিড” নামের জেল পালানো আসামীর আবির্ভাব ছিল মুভির এক অন্যতম আকর্ষণ। সে যখন জানতে পারে যে তার বাবা ও ভাই লিউক প্লামার নামের এক ক্রিমিনালের হাতে খুন হয়েছে, তখন থেকেই সে প্রতিশোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে জীবনের ভিন্ন ভিন্ন কাহিনী একই সাথে প্রদর্শন যেন আলাদা এক আবহ সৃষ্টি করেছে। এক কথায় অসাধারণ।

Happy_Watching

Create your website with WordPress.com
Get started