“Brief Encounter” Movie Review

Movie_Name: Brief Encounter (1945)

Genre: Drama, Romance

Director: David Lean

IMDB_Rating: 8/10 (34K Votes)

Tomatometer: 91%

Runtime: 1h 26min

Personal_Rating: 8/10

Spoiler_Alert

রোমান্টিক জনরার এক ঐতিহাসিক নির্মাণ “Brief Encounter” নামের এই মুভিটি। এটি ২০১৩ সালে Time Out London কর্তৃক অনুষ্ঠিত এক ভোটে ১০১ অভিজ্ঞের মধ্যে ২৫ টি ভোট নিয়ে সর্বকালের সেরা রোম্যান্টিক মুভির খেতাব অর্জন করে। এছাড়াও ১৯৯৯ সালে British Film Institute এটিকে দ্বিতীয় সর্বকালের সেরা বৃটিশ ফিল্ম এবং ২০১৭ সালের ১৫০ জন ক্রিটিকদের একটি পোলে ব্রিটেনের ১২তম সেরা চলচ্চিত্রের মর্যাদা পায়।

মুভিটি মূলত লরা জেসন নামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারের গৃহিণী আর এ্যালেক হার্ভে নামক এক সাধারণ চিকিৎসকের পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে, যেখানে তারা উভয়ই বিবাহিত এবং তাদের সন্তান আছে। এখানে পরকীয়া সম্পর্কের ইতিবাচক দিকের চেয়ে নেতিবাচক দিক সম্পর্কে বেশি প্রদর্শন করা হয়েছে। লরা স্টেশনের ধারের রিফ্রেশমেন্ট রুমে এ্যালেককে প্রথম দেখাতেই আকর্ষণ বোধ করে। তারপর কাকতালীয়ভাবে আবার তাদের দেখা হয় এবং ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হতে থাকে। এভাবে একসাথে প্যালাডিয়াম সিনেমা শোতে যাওয়া, অবসরে ঘোরাঘুরি- এসবের মাধ্যমে সম্পর্ক আরো গভীর হতে থাকে। এভাবে চলতে চলতে একসময় তারা উপলব্ধি করে যে এই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা আর সম্ভব না। লরা এ্যালেককে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসলেও এ্যালেকের লরার প্রতি সম্পর্কের টান নিয়ে কিছুটা ধোয়াশা ছিল। ফলে শেষ পর্যন্ত লরা বুঝতে পারে যে তার নিজের স্বামীই তাকে প্রকৃত ভালোবাসত, যা সে এতদিন অগ্রাহ্য করে এসেছে। মুভির ডায়ালোগ কিছুটা ওল্ড ইংলিশের হলেও অভিনয় ও কাহিনীর প্রবাহ এক কথায় অসাধারণ।

Happy_Watching

“Monty Python and the Holy Grail” Movie Review

Movie_Name: Monty Python and the Holy Grail(1975)

Genre: Adventure, Comedy, Fantasy

Director: Terry Gilliam & Terry Jones

IMDB_Rating: 8.2/10(488K Votes)

Metascore: 93/100

Tomatometer: 97%

Runtime: 1h 31min

Personal_Rating: 9/10

Strong_Spoiler_Alert☢☢

“Monty Python” নামটার সাথে আপনারা অনেকেই হয়তো পরিচিত থাকবেন। এটি ছিল ব্রিটেনের একসময়কার সেরা কমেডিয়ান গ্রুপ। সেসময়কার বিখ্যাত কমেডি তারকা Chapman, Cleese, Gilliam, Idle, Jones এবং Palin প্রমুখ ছিলেন এই গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। এটি সেই গ্রুপে নির্মিত কমেডি চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম এক সৃষ্টি এই মুভিটি।

পাওলো কোয়েলোর “The Alchemist” বইটিও হয়তোবা অনেকে পড়ে থাকবেন। সেখানে গুপ্তধনের সন্ধানকারী সেই রাখাল বালক পুরো মরুভূমি আর পিরামিড ঘুরে শেষ পর্যন্ত সন্ধান পায় যে তার পূর্ব বসবাসরত সেই গীর্জার তলাতেই ছিল গুপ্তধন। এই মুভির কাহিনীতে পরিণতির দিক থেকে চিন্তা করলে সে ঘটনার সঙ্গে মিল থাকলেও সেই অনুসন্ধান ছিল ঈশ্বরের দৈববাণী কর্তৃক ঘোষিত “Holy Grail”-এর। আর সেই দুঃসাহসিক অভিযানের ভার পড়ে ইতিহাসখ্যাত রাজা আর্থার আর তার সহকারী নাইটদের উপর। মুভির একদম শুরু থেকেই বিভিন্ন ঘটনা অত্যন্ত রসাত্মক ভঙ্গিতে উপস্থাপন করা হয়, এমনকি শুরুতে মুভির সাথে জড়িত সবার Credential-ও দেখানো হয় একদম ভিন্নধর্মী ও রসাত্মক উপায়ে, যা অন্য কোনো কমেডি মুভিতে দেখানো হয়নি বললেই চলে। এছাড়াও মাঝে মাঝেই বিভিন্ন হাস্যরসাত্মক গান, বিভিন্ন হ-য-ব-র-ল ঘটনা, সব মিলে এক ভিন্নধর্মী আবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। তাছাড়াও বর্তমান এবং প্রাচীন জগতের ঘটনার পাশাপাশি প্রদর্শনের ব্যাপারটি এই মুভিতে অত্যন্ত সৃজনশীল উপায়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তবে কিছু কিছু কৌতুকপূর্ণ ঘটনা কিছুটা আক্রমণাত্মকভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে, যা অবশ্যই অপ্রাপ্তবয়ষ্কদের জন্য কিছুটা অস্বস্তিপূর্ণ হবে।

Happy_Watching

“Apocalypse Now” Movie Review

Movie_Name: Apocalypse Now

Genre: Drama, Mystery, War

Director: Francis Ford Coppola

IMDB_Rating: 8.4/10(585K Votes)

Metascore: 94/100

Tomatometer: 98%

Runtime: 2h 27min (Extended: 3h 16min)

Personal_Rating: 9/10

হালকা_স্পয়লার

বিশ্ববিখ্যাত “The Godfather Trilogy” র নির্মাতা Francis Ford Coppola-র এক অনন্য সৃষ্টি এই “Apocalypse Now” মুভিটি। অন্য যত War মুভি দেখেছি, সেগুলোর তুলনায় এই মুভির কাহিনী সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের, যেন অনেকটা “Out of the Box” চিন্তার উপর ভিত্তি করে বানানো। যারা সবকিছুর মধ্যে এক্সেপশনাল কিছু খুঁজে বেড়ান, তাদের জন্য মুভিটা অবশ্যই অন্যতম সেরা সাজেশন। আর War মুভির মধ্যে Mystery বা কাহিনীর Twist দেখা যায় না বললেই চলে। সেদিক থেকে চিন্তা করলে এটা অনেকটাই ভিন্নধর্মী।

কাহিনীর প্রেক্ষাপট ভিয়েতনাম যুদ্ধকে কেন্দ্র করে, যেখানে আমেরিকা ছিল ভিয়েতনামের প্রতিপক্ষ। মুভির মধ্যে সাধারণ সৈনিক ও সেনা অফিসারদের চিন্তা-ভাবনা, তাদের নেয়া সিদ্ধান্ত, তাদের মিশনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভিন্নভাবে। কর্নেল ওয়াল্টার ই. কুর্টজ এই মুভির অন্যতম মোড় ঘোরানো একজন চরিত্র, যার কাহিনী দর্শকদের সাধারণ ভাবনার উপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে বাধ্য। এছাড়াও এই মুভির অত্যন্ত সাহসী চরিত্র হচ্ছেন ক্যাপ্টেন উইলিয়ার্ড, যদিও শেষ পর্যন্ত তার প্রকৃত বৈশিষ্ট্য নিয়ে কিছুটা ধোয়াশা সৃষ্টি হয়। সত্যিকার অর্থে এই মুভিতে আমরা যে জিনিসটাকে ঠিক বা ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করব, দেখা যাবে যে সেটিই শেষ পর্যন্ত এই কাহিনীর সবচেয়ে বড় ভুল ছিল!!

Happy_Watching

“Vertigo” Movie Review

Movie_Name: Vertigo(1958)

Genre: Mystery, Romance, Thriller

Director: Alfred Hitchcock

IMDB_Rating: 8.3/10(349K Votes)

Metascore: 100/100

Tomatometer: 94%

Runtime: 2h 8min

Personal_Rating: 9/10

#Spoiler_Alert(Also “The Sixth Sense”)

“The Sixth Sense” মুভিটা হয়তো অনেকেই দেখে থাকবেন। মুভির শুরুতে মুভির কেন্দ্রীয় চরিত্র সেই বাচ্চাটির সাথে ঘটা ঘটনাগুলো মানসিক রোগ বলে মনে হলেও শেষটা হয় তার অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতার উন্মোচনের মাধ্যমে। অন্যদিকে এই মুভির শুরুতে এক মহিলার সাথে ঘটা ঘটনাগুলো বেশিরভাগ সময়ই অতিপ্রাকৃতিক বলে মনে হবে, মাঝে মাঝে মানসিক সমস্যা বলেই মনে হবে। অনেকের মনে হবে যে সেই মহিলার মধ্যে তার কোনো পূর্বপুরুষের আত্মা ভর করেছে বা তার Multiple Personality Disorder আছে। কিন্তু এখানে কোনো অলৌকিক কাহিনী মাধ্যমে মুভির ইতি টানা হয় নি, আবার মানসিক কোনো রোগের কথাও উঠে আসে নি। বরং সমগ্র মুভিতে যা যা ঘটেছে, তা ছিল খাঁটি বাস্তব; কোনো অলৌকিক ঘটনা বা কারো মানসিক রোগের ফল না। জিনিসটা পাঠকদের কাছে অনেকটা ধাঁধার মত ঠেকছে হয়তোবা, কিন্তু ঘটনার রহস্য এত সুনিপুণভাবে সাজানো যা দেখে দর্শক চমকে যেতে বাধ্য! কেউ হয়তোবা চিন্তাও করতে পারবে না যা এটা কীভাবে হল!!

Alfred Hitchcock কে Movie Industry-র “Twist” বা “Mystery”র জনক হিসেবে অনেকেই অভিহিত করে। ১৯৫৮ সালের মত সময়েও যে কারো মাথায় এত Thrilling একটি মুভির কাহিনী আসতে পারে, না দেখলে বোঝা সম্ভব না!!

Happy_Watching

Life Reality of “Tokyo Story” Movie

Movie_Name: Tokyo Story(1953)

Industry: Japanese

Director: Yasujirō Ozu

Genre: Drama

IMDB_Rating: 8.2/10

Tomatometer: 100%

Runtime: 2h 16min

Personal_Rating: 9/10

Spoiler_Alert

বিশেষ_বিজ্ঞপ্তি: আমার মতে, আমাদের সমাজে প্রত্যেক বাবা-মাকে অন্তত একবার হলেও মুভিটা দেখা উচিত।

এটা কোনো মুভি রিভিউ না। মুভিটার সংগে জীবনের বাস্তবতা নিয়ে কিছু কথা।

প্রায় সব বাবা-মায়েদেরই নিজের সন্তানকে নিয়ে কিছু না কিছু প্রত্যাশা থাকে। কিন্তু সন্তান যখন সবকিছু বুঝতে শেখে, সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা জন্মে; তখন সন্তান অনেক সময়ই জীবনে এমন কিছু করতে চায়, যা তার পিতা-মাতার প্রত্যাশার সঙ্গে সাদৃশ্যমান হয় না। কিন্তু অনেক বাবা-মা সেই সন্তানের সিদ্ধান্তের যথার্থতা বা নীতিগত দিক বিবেচনা না করেই সেটাকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা শুরু করেন। ফলে অনেক সময় অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাবা-মায়ের সেই প্রত্যাশা পূরণের পথে নামতে গিয়ে বহু সন্তান তা পূরণে ব্যর্থ হয়। ফলস্বরূপ সেই সন্তান হয়ে ওঠে তার পিতার চোখের বিষ, মাতার গর্ভের কলংক। কিন্তু বাস্তবিকভাবে বলতে গেলে মানুষের জীবন খুবই ছোট। এই ছোট্ট জীবনে যদি কেউ ন্যায়ের পথে অটল থাকতে পারে, সেটাই তার কৃতিত্ব। আর এই পৃথিবীটা এতই অদ্ভূত যে আমরা যা প্রত্যাশা করি, বেশিরভাগ সময়ই ভালো হোক বা খারাপ হোক, সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু ঘটে থাকে। এখানে “জীবন” জিনিসটা সবসময় নিজের, কেউ ন্যায়ের পথে, ধর্মের পথে থেকে জীবন যেভাবেই অতিবাহিত করতে চাক না কেন, তাতে কারোরই কোনো ক্ষতি নেই। আর এতে কারো মান-সম্মান হারানোরও কোনো ব্যাপার নেই। অনেক সময়ই বাবা-মা তাদের কোনো এক সন্তানের প্রতি ভুল ধারণা নিয়ে বেঁচে থাকেন৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায় সেই সন্তানটিই তাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসত, তার সবচেয়ে কাছের মানুষ ছিল!!

“Battleship Potempkin” Movie Review

Movie_Name: Battleship Potemkim(1925)

Industry: Russian

Director: Sergei Eisenstein

Genre: Drama, History, Thriller

IMDB_Rating: 8/10

Tomatometer: 100%

Runtime: 1h 15min

Personal_Rating: 8/10

হালকা_স্পয়লার

সাইলেন্ট ফিল্ম জগতের এক অন্যতম মুভি হল এই “Battleship Potemkin”. চার্লি চ্যাপলিনের মুভিগুলো ব্যতীত এটাই আমার দেখা প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র। ১৯০৫ সালে “পটেমকিন” নামক এক সোভিয়েত যুদ্ধ জাহাজের খালাসিদের দ্বারা সংঘটিত বিদ্রোহের একটি নাটকীয় রূপ হল এই মুভিটি। এই মুভিটিকে সোভিয়েত সরকার বিরোধী বলে গণ্য করে সাময়িক কালের জন্য এটাকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করা হয় সোভিয়েত ইউনিয়নে, যদিও সেই নিষেধাজ্ঞা অনেক আগেই তুলে নেয়া হয়েছে। ১৯৬৪ সালে সুইডিশ ফিল্ম ম্যাগাজিন Chaplin কর্তৃক অনুষ্ঠিত ৫০ জন ফিল্ম প্রফেশনালদের এক পোলে মুভিটি ৩২টি ভোট পেয়ে সেরা নির্বাক চলচিত্রের মর্যাদা পায়।

মুভির শুরুতে জাহাজের নৌ অফিসারদের সাধারণ খালাসিদের উপর করা অবহেলা, শোষণ, কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং নেতিবাচক মনোভাবকে সুন্দরভাবে চিত্রায়িত করা হয়েছে, যেখানে সেসব খালাসিরা অফিসারদের প্রতি যঠেষ্ট অনুগত ছিল । মৌলিক চাহিদা “খাবার”-থেকে শুরু করে বিভিন্ন দিক থেকে খালাসিদের বঞ্চিত করে আসছিল অফিসাররা। এসবের জের ধরে খালাসিরা সেটাকে পরিণত করল এক ভয়ংকর বিদ্রোহে। ধীরে ধীরে সমাজের নিচু শ্রেণীর আমজনতার সমর্থনে সেই বিদ্রোহ আরো বৃহদাকার ধারণ করল। ফলস্বরূপ পুলিশ সেই জনতার উপর যে অবিচার করল, তা ছিল অত্যন্ত পাশবিক ও নির্মম। শেষ পর্যন্ত সেই জাহাসের খালাসিদের সাথে কী ঘটল?? জানতে হলে দেখেই ফেলুন…

Happy_Watching

“8½” Movie Review

Movie_Name: 8½ (1963)

Director: Federico Fellini

Industry: Italian

Genre: Drama, Fantasy

IMDB_Rating: 8/10

Tomatometer: 98%

Runtime: 2h 18min

হালকা_স্পয়লার

ইতালির একসময়কার বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ছিলেন ফেডেরিকো ফেলিনি। এটিই তার জীবনের সেরা কাজ বলে ধরে নেয়া হয়। এই মুভিটি তৎকালীন সময়ে Academy Awards-এ “Best Foreign Film” এর খেতাব পায়। এটি BFI এর The Top Greatest Films of All Time এ ৩য় অবস্থানে নির্বাচিত হয় ২০০২ সালে।

মুভিটির কাহিনী এক বিপর্যস্ত চলচ্চিত্র পরিচালককে নিয়ে, যার উপর কর্তৃপক্ষ মুভি নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এছাড়াও তার পেশাগত জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও বৈবাহিক জীবনেও অনেক টানাপোড়েন চলছিল। তিনি শেষমেশ হতাশা কাটানোর উপায় খুঁজতে খুঁজতে একটা মুভি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এই মুভিতে তিনি নিজের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা ও কল্পনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু মুভি বানানোর তার কোনো উদ্দেশ্যই ছিল না, তিনি শুধুমাত্র নিজের হতাশা কাটানোর জন্য জীবনের গভীরে যাওয়ার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। নিজের জীবনের প্রতিবন্ধকতাগুলোকে মেনে নিতে না পারা এই মানুষটির জীবনে শেষ পর্যন্ত কী ঘটল?? জানতে মুভিটি দেখে ফেলুন।

Happy_Watching

“Ip Man” Movie Review

Movie_Name: Ip Man(2008)

Industry: Chinese

Genre: Action, Biography, Drama, History

IMDB_Rating: 8.0/10(200K Votes)

Metascore: 59/100

Rotten_Tomatoes: 93%(Audience Score)

Runtime: 1h 46min

Spoiler_Alert

এই যোদ্ধা, কোনো সামরিক যোদ্ধা নয়! দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমসময়ের সিনো-জাপানিজ যুদ্ধে সে যোদ্ধা রাইফেল হাতে নামে নি জাপানিদের বিরুদ্ধে!! বরং সে যা করেছিল, তা আজও পৃথিবীর ইতিহাসে এক ভিন্নধর্মী দেশপ্রেমের পথিকৃৎ হয়ে আছে। উল্লেখ্য যে, এই যোদ্ধা ছিলেন গ্র‍্যান্ডমাস্টার “ব্রুস লির”র ব্যক্তিগত মার্শাল আর্ট শিক্ষক।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমকালীন সময়ে চীনে জাপানি আগ্রাসনের সেই বর্বরতার ঘটনা আজও চীনা ইতিহাসের এক বড় তাৎপর্যপূর্ণ অংশ হয়ে আছে; যদিও তা বিশ্বযুদ্ধ শুরুর দু’বছর আগেই শুরু হয়েছিল। তবে তার সমাপ্তি ঘটে ১৯৪৫ সালেই। সেই ঘটনায় জাপানিদের হাতে অসংখ্য চীনা নাগরিক নিহত হয়।

সেসময় চীনের এক ছোট্ট শহর ফো শান। সেই শহরের সবচেয়ে বড় মার্শাল আর্ট যোদ্ধা মাস্টার ইপ। জাপানিজ আগ্রাসনের সময় সে শহরে গণহত্যার কারণে জনসংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে যায়। অন্য সব যুদ্ধের মুভির মত শোষিত বা যুদ্ধ-বন্দীদের কষ্টের চিত্র অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই মুভিতে, যার ভুক্তভুগী ছিল মাস্টার ইপের পরিবারও। মুভিটার মধ্যে একটা সুন্দর ডায়ালোগ ছিল:

“I don’t know anything except martial arts. This world is too small & I am totally useless here.”

কিন্তু এই নিজেকে ইউজলেস মনে করা সেই ব্যক্তিটিই পরে পরিণত হয় পুরো ফো শান শহরের যুদ্ধবিধ্বস্ত নাগরিকদের রক্ষাকর্তায়। সে জাপানিদের বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে না নামলেও সে এক ভিন্নধর্মী উপায়ে তার একমাত্র দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সে এমন এক সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিল, যা দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এতে তার প্রাণ সংশয় হতে পারে জেনেও সে কোনো কিছুর পরোয়া করে নি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ঘটনা নিয়ে আমার দেখা সবচেয়ে ভিন্নধর্মী এক দেশপ্রেমের কাহিনী নিয়ে এই চলচ্চিত্র!!

Happy_Watching

Life Reality of “Charlie” movie

Movie_Name: Charlie

Industry: Malalayam

Genre: Drama, Musical, Thriller

IMDB_Rating: 7.9

Personal_Rating: এটা আমার জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলা মুভিগুলোর একটা। রেটিং দিয়ে আর পাপ বাড়াতে চাই না!!

Spoiler_Alert

মুভিটা নিয়ে কোনো রিভিউ করব না। শুধুই নিজের ব্যক্তিগত কিছু কথা।

জীবনে সুখ ও শান্তির অভাববোধ করে আমরা বহু মানুষই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি, নিজের প্রতি একটা অন্য ধরণের অনীহা তৈরি হয়। “চাওয়া-পাওয়া”র খেলার গোলকধাঁধায় আটকা পড়ে যাওয়া অনেক মানুষই মনে করে যে সে ভালো নেই। কিন্তু জীবনে শান্তি বা আনন্দ যে কত সহজ উপায়েই পাওয়া সম্ভব, সেটাই তুলে ধরা হয়েছে এই মুভিতে। জীবনে হতাশা কাটাতে মোটিভেশনাল ভিডিও অনেকেই দেখে, কিন্তু সেগুলো সাময়িকভাবে মানুষের দুঃখ-কষ্টকে ভুলিয়ে রাখলেও পরবর্তীতে “যে লাউ, সেই কদু” অবস্থা বিরাজ করে প্রায় সবারই। কারণ সেগুলো আমাদের এক কান দিয়ে ঢুকে অন্য কান দিয়ে বেরিয়ে গেলেও অন্তরের অনুভূতি জাগাতে সক্ষম হয় না। হুমায়ুন আহমেদের “হিমু” চরিত্রটির সঙ্গে সিংহভাগ সাদৃশ্যমান এই মুভির “চার্লি” চরিত্রটি যেন দর্শকের হৃদয়ে গিয়ে নাড়া দেবে, তৈরি করবে এমন এক স্থায়ী নির্মল অনুভূতি যা শত মোটিভেশনাল ভিডিও-ও পারে না।

জীবন বেশিরভাগ মানুষই যে ভ্রান্ত ধারণায় বাস করে। কিন্তু এই ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে কেউই সম্পূর্ণ সুখী হতে পারে না। অথচ আমরা জীবনে যেসব জিনিস পেতে চাই, সেসব আপাততদৃষ্টিতে বহুমূল্যবান জিনিসগুলোই বরং আমাদের জীবনে সবচেয়ে কম প্রয়োজনীয়। আমাদের জীবনে আসলে যেটা দরকার, সেটা কখনোই অর্থের বিনিময়ে পাওয়া সম্ভব নয়। মানুষের জীবনের সম্পূর্ণ আলাদা ও বাস্তব অর্থ প্রকাশ পেয়েছে এই মুভিতে।

এই প্রতিযোগিতার ও প্রযুক্তির যুগে আমরা বেশিরভাগ মানুষই নিজেদেরকে যন্ত্র বানিয়ে ফেলছি। এর ফলশ্রুতিতে আমাদের হতাশা ও বিষণ্ণতা আরো বেড়ে যাচ্ছে। মানুষের প্রকৃতি কিংবা সুন্দরের প্রতি যে ভালোবাসা, সাহিত্যপ্রেম- সবই পর্যায়ক্রমে রূপ নিচ্ছে অন্য নেতিবাচক কিছুতে। প্রকৃতির প্রতি মানুষের একাত্মতা, সাহিত্যপ্রেম, সংস্কৃতি কিংবা ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা এবং তার মধ্যে জীবনের সুখ অনুসন্ধান করাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরা হয়েছে এই মুভিতে।

প্রকৃত অর্থে আমাদের জীবনের আসল সুখ নিহিত আছে আমাদের আশেপাশের মানুষগুলোর মধ্যেই। আমরা যদি কোনোভাবে তাদের একজনের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, তখন যে ভালোলাগা কাজ করে তা বহুমূল্য অর্থের বিনিময়েও অর্জন করা সম্ভব নয়। অথচ আমরা স্বার্থপরতার আশ্রয় নিয়ে নিজেদের শুধুই অসুখী করছি, নিজেদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করছি। যে সমাজে সবার মুখে হাসি বিদ্যমান, সেই সমাজে কোনো পার্থিব জিনিসের অভাবই কাউকে অসুখী করতে পারে না!!

Some Words about “Train to Busan” Movie

Movie_Name: Train to Busan(2016)

Language: Korean

Genre: Action, Horror, Thriller

IMDB_Rating: 7.5 (142K Votes)

Metascore: 75/100

Personal_Rating: কিছু মুভি রেটিংয়ের ঊর্ধ্বে

হালকা স্পয়লার

এটা কোনো মুভি রিভিউ না। বরং মানবজীবনের যে গভীর বাস্তবতা প্রকাশ পেয়েছে এই মুভিতে, সে সম্পর্কে কিছু কথা।

মানবজাতি বড়ই স্বার্থপর। আমরা বেশিরভাগ মানুষই জীবনে শুধু স্বার্থই খুঁজে বেড়াই, অন্য কারো সুবিধা আমাদের দেখার বিষয় না। আমরা মনে করি এরকম মনোভাবের কারণে আমরা লাভবান হচ্ছি। অথচ সেই স্বার্থপরতা উলটো যে আমাদের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে, সেটা আমরা বুঝতে পারি না। হাতেগোনা কিছু মানুষ নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেও আমরা তার দাম দিই না, অথচ নিজের স্বার্থের জন্য সেই উপকারী মানুষটিকে বড় বিপদে ফেলে দিতেও দ্বিধাবোধ করি না। অথচ এই স্বার্থপরতা কারোই কোনো উপকার করছে না, বরং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় ক্ষতি এবং ধ্বংস অর্থাৎ হানাহানি, বিদ্বেষ, স্নায়ুযুদ্ধ, গণহত্যা, দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষ- সংঘটিত হচ্ছে এই স্বার্থপরতাকে কেন্দ্র করেই।

অন্যদিকে অনেক মানুষ স্বার্থপর হলেও একটি জিনিসকে তারা অগ্রাহ্য করতে পারে না, সেটা হল রক্তের টান। নিজের পরিবারের কারো সঙ্গে কেউ চাইলেও স্বার্থপরতা করতে পারে না, যেখানে সে অন্য মানুষদের সাথে ঠিকই স্বার্থপরতা দেখাচ্ছে। আবার কিছু মানুষের কাছে বন্ধুত্বের টান জীবনে অনেক বড় হয়ে দ্বারায়। কেননা এই টান ভালোবাসার টান, মমতার টান, যা কোনোভাবেই ভাঙা যায় না। আবার এই স্বার্থপরতার ভীড়ে খুবই অল্পসংখ্যক মানুষ অন্যের উপকারের জন্য আত্মত্যাগ করতেও সামান্যতম দ্বিধাবোধ করছে না, তারা মানুষের উপকার করাকেই জীবনের মূল ব্রত করে নিচ্ছে।

মুভির বাহিরের কাহিনী প্রায় সবারই চোখে পড়ে। কিন্তু এর ভেতরে যে জীবনের গভীরতা নিয়ে যে সুন্দর বার্তা দেয়া থাকে, তা অনেক সময়ই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়।

Happy_Watching

Create your website with WordPress.com
Get started